জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পথ পেরিয়ে অনুষ্ঠিত গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় নির্ধারিত সময়েই শেষ হয় ভোটগ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যারা ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়েছেন তারা সাড়ে ৪টার পরেও ভোট দিতে পেরেছেন।
ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর শুরু হয়েছে ভোট গণনা। নির্বাচন কমিশন আগেই জানিয়েছিল যে, এবার দুই ধরনের ব্যালট হওয়ায় ভোট গুনতে অন্যান্য সময়ের চেয়ে কিছুটা বেশি সময় লাগবে।
এখন দেশের মানুষ তাকিয়ে আছেন ভোটের ফলাফলের দিকে।
১৭ বছরের নির্বাসন কাটিয়ে দেশে ফেরা বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান জয় পাবেন নাকি ইসলামী ও সমমনা দলগুলো নিয়ে গঠিন জামায়াতে ইসলামীর ঘরে জয় যাবে কিনা; তা জানতে অপেক্ষা আর কয়েক ঘণ্টার।
এর আগে সকাল সাড়ে ৭টায় দেশের ২৯৯ কেন্দ্রে একযোগে শুরু হয় ভোট। একটি কেন্দ্রে জামায়াতের প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে সেখানে ভোট হয়নি।
সারাদিনই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ভোট নিয়ে বিচ্ছিন্ন ঘটনার খবর এসেছে।
কোথাও ছিল ভোটারদের দীর্ঘ সারি, কোথাও ভোটকেন্দ্র ছিল প্রায় খালি।
বেশিরভাগ স্থানেই ভোটারদের স্বতস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
ভোট দিয়ে অমোচনীয় কালিসহ আঙুলের ছবিতে ভেসেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। অনেকেই বন্ধু বা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে উৎসবের আমেজে ভোট দিতে গেছেন, ছবি তুলেছেন।
কোথাও কোথাও দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়াতে হলেও তাতে বিরক্ত হননি ভোটাররা। কোনো কেন্দ্রে গণভোট ও প্রার্থী নির্বাচনে ভোট দিতে গড়ে দুই মিনিট সময় লেগেছে তো কোথাও তার জন্য ১০ মিনিট পেরিয়েছে।
আবার দেশের কয়েকটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, হাতাহাতি, জাল ভোট দেওয়া, নির্দিষ্ট প্রতীকের পক্ষে ভোট দিতে প্রভাবিত করাসহ বিভিন্ন ধরনের অভিযোগও এসেছে।


