ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় এআই দিয়ে তৈরি ভুয়া প্রবেশপত্র ব্যবহার করে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে গিয়ে এক ভুয়া পরীক্ষার্থী ও তার সহযোগীকে আটক করেছে প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে কসবা তোফাজ্জল আলী ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আটক দুইজনকে ৪০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, কসবা মহিলা ডিগ্রি কলেজের টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থী তাসফিয়া রহমান জান্নাত (১৮) ও তার সহযোগী ফুফাতো ভাই ইনজামামুল হক (১৯)
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন কসবা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তানজিল কবির।
পরীক্ষা কেন্দ্র ও ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, কসবা মহিলা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী তাসফিয়া রহমান জান্নাত টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছিলেন। পরে জান্নাত তার ফুফাতো ভাই ইনজামামুল হকের সহযোগিতায় এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্রের ছবি ব্যবহার করে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি ভুয়া এইচএসসি প্রবেশপত্র তৈরি করেন। ওই প্রবেশপত্র নিয়ে তিনি পরীক্ষায় অংশ নিতে আসেন।
পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সন্দেহ হলে বিষয়টি কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে জানানো হয়। যাচাই শেষে বোর্ড কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করে যে প্রবেশপত্রটি ভুয়া। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছামিউল ইসলাম ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. তানজিল কবির কেন্দ্রে যান।
এ সময় দুজনের অভিভাবকদের উপস্থিতিতে বিস্তারিত শুনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এতে অভিযুক্ত ভুয়া পরিক্ষার্থী তাসফিয়া রহমান জান্নাত ও সহযোগী ইনজামামুল হককে ২০ হাজার টাকা করে ৪০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ছামিউল ইসলাম বলেন, ভুয়া প্রবেশপত্র নিয়ে পরীক্ষা দিতে এসে তারা আটক হয়েছেন। পরে দোষ স্বীকার ও ভবিষ্যতে এমন কাজ না করার মুচলেকা দিলে তাদের অর্থদণ্ড দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।


