[live_update time=”রাত ১.০৫ ” title=”ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ ইচ্ছাকৃত: জরিপ “]
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের একটি বড় অংশ মনে করছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধটি প্রয়োজনের চেয়ে বেশি পরিকল্পিত বা ইচ্ছাকৃত। সম্প্রতি সিবিএস নিউজ ও ইউগভ পরিচালিত এক যৌথ জরিপে এ চিত্র উঠে এসেছে।
গত ১৭ থেকে ২০ মার্চ পর্যন্ত অনলাইনে পরিচালিত এই জরিপে অংশ নেন ৩ হাজার ৩৩৫ জন প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন নাগরিক। তাদের মতামতের ভিত্তিতে দেখা যায়, ইরানকে লক্ষ্য করে সামরিক পদক্ষেপের বিরোধিতা ক্রমেই বাড়ছে। বর্তমানে ৬০ শতাংশ উত্তরদাতা এই পদক্ষেপের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, যা মাসের শুরুতে ছিল ৫৬ শতাংশ।
জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় ৬৮ শতাংশ নাগরিক মনে করেন, ট্রাম্প প্রশাসন যুদ্ধের উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করতে ব্যর্থ হয়েছে। একই সঙ্গে ৫৭ শতাংশের ধারণা, এই সংঘাত যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ইতিবাচক নয়, বরং পরিস্থিতি খারাপের দিকেই যাচ্ছে।
সামগ্রিকভাবে ৬৬ শতাংশ উত্তরদাতা যুদ্ধটিকে ‘ইচ্ছাকৃত’ বলে মনে করছেন, যেখানে ৩৪ শতাংশ এটিকে ‘প্রয়োজনীয়’ হিসেবে দেখছেন। রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে মতামতে বড় ধরনের পার্থক্য লক্ষ্য করা গেছে। ডেমোক্র্যাটদের ৯২ শতাংশ এবং স্বতন্ত্র ভোটারদের ৭৩ শতাংশ এই যুদ্ধকে ইচ্ছাকৃত বললেও রিপাবলিকানদের ৬৭ শতাংশ এটিকে প্রয়োজনীয় মনে করছেন।
তবে একটি বিষয়ে প্রায় সর্বসম্মত মত রয়েছে—সংঘাত দ্রুত শেষ করা দরকার। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৯২ শতাংশই যুদ্ধের দ্রুত অবসানের পক্ষে মত দিয়েছেন। পাশাপাশি ৮০ শতাংশ ইরানের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। এ ছাড়া ৭৩ শতাংশ ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ এবং ৬৮ শতাংশ অন্য দেশগুলোর প্রতি ইরানের হুমকি কমানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।
ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন নিয়ে মার্কিন জনমত বিভক্ত। প্রায় ৪৯ শতাংশ নতুন নেতৃত্বের পক্ষে থাকলেও ৫১ শতাংশ এই পরিবর্তনকে প্রয়োজনীয় মনে করছেন না।
অন্যদিকে, বর্তমান শাসনব্যবস্থা বহাল রেখে যুদ্ধের সমাপ্তি গ্রহণযোগ্য কি না-এই প্রশ্নে ৪৭ শতাংশ ইতিবাচক মত দিয়েছেন, আর ৫৩ শতাংশ তা প্রত্যাখ্যান করেছেন।
সূত্র: সিএনএন
[/live_update]
[live_update time=”রাত ১১.২০” title=”ইসরায়েলের অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজের স্থাপনায় হামলার দাবি ইরানের”]
ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজের’ (আইএআই) একটি স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। তবে এ ঘটনায় হতাহতের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থার কাছে পাঠানো এক বিবৃতিতে দেশটির সেনাবাহিনী দাবি করে, তারা তেল আবিবের কাছে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের নিকটবর্তী আইএআইয়ের স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
এ ছাড়া সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে অবস্থানরত একটি মার্কিন নজরদারি বিমানেও হামলার দাবি করেছে ইরান। তবে হামলার প্রকৃতি বা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত জানানো হয়নি।
আল-জাজিরা জানিয়েছে, এসব দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। একই সঙ্গে ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে তাদের দেশের দিকে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। দেশটির সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় রোববার মধ্যরাতের পর এটি ইরানের অষ্টম দফার হামলা।
দ্য টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে শিগগিরই সতর্ক সংকেত বা সাইরেন বাজানো হতে পারে।
[/live_update]
[live_update time=”রাত ১১.০৮” title=”ইরানকে ‘হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য’ করা হবে: ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত”]
যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইটার বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং শেষ পর্যন্ত তেহরানকে ‘হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য’ করা হবে।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের দিমোনা ও আরাদ শহর লক্ষ্যবস্তু হওয়ার পর সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এমন মন্তব্য করেন। লেইটার বলেন, ‘এই অভিযান চলতেই থাকবে, যতক্ষণ না আমরা এই শাসনব্যবস্থাকে নতজানু করতে পারি।‘
তিনি অভিযোগ করেন, ইরান দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলকে ধ্বংসের হুমকি দিয়ে আসছে এবং বর্তমানে প্রতিবেশী দেশগুলোর দিকেও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস হয়ে গেছে—এমন দাবির প্রেক্ষাপটে হামলার ব্যাখ্যা জানতে চাইলে লেইটার উল্টো ইরানকেই দোষারোপ করেন। তিনি বলেন, ‘ইরানিরা মিথ্যা বলে, তারা হত্যাকারী এবং মিথ্যাবাদী।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘তারা বলেছিল তাদের আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নেই। কিন্তু এখন তারা প্রমাণ করেছে যে তাদের সেগুলো রয়েছে।’
[/live_update]
[live_update time=”রাত ১০.০৩” title=”সাহসিকতায় সব চ্যালেঞ্জ জয় করবে ইরান: বেলারুশের প্রেসিডেন্ট”]
যুদ্ধকালীন সব চ্যালেঞ্জ ইরান সাহসিকতার সঙ্গে অতিক্রম করবে বলে মন্তব্য করেছেন বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার লুকাশেঙ্কো। পারস্য নববর্ষ নওরোজ উপলক্ষে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি একথা বলেন। খবর আল জাজিরার।
ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিমের বরাতে জানা গেছে, এক বিবৃতিতে লুকাশেঙ্কো বলেন, ‘ইরান সাহসিকতার সঙ্গে সব চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করবে। নতুন বছরের এই সময়ে দেশটি কঠিন বহিরাগত চ্যালেঞ্জের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ইরানের জনগণ শতাব্দীর অভিজ্ঞতার ওপর ভর করে সাহসিকতার সঙ্গে সব বাধা অতিক্রম করবে এবং স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাদের পথচলা অব্যাহত রাখবে।
উল্লেখ্য, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত লুকাশেঙ্কো তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বেলারুশের ক্ষমতায় রয়েছেন।
[/live_update]
[live_update time=”রাত ৯.৪৭” title=”যুদ্ধক্ষেত্রেই হুমকির জবাব দেবে ইরান: প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান”]
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, ‘তেহরান যুদ্ধক্ষেত্রেই সব হুমকির মোকাবিলা করবে।’ খবর আল জাজিরার।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে না দিলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার হুমকি দেওয়ার পর তিনি এ মন্তব্য করেন। পেজেশকিয়ান বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে ‘হুমকি ও সন্ত্রাস’ দেশটির মানুষকে আরও ঐক্যবদ্ধ করে তুলছে।
এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ইরান ‘উন্মত্ত হুমকিগুলোর জবাব দৃঢ়ভাবে যুদ্ধক্ষেত্রেই দেবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যারা আমাদের ভূখণ্ড লঙ্ঘন করে না, তাদের জন্য হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত।’
[/live_update]
[live_update time=”রাত ৯.৩৪” title=”যুদ্ধে ইরানে ২১০ শিশু নিহত”]
ইরানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানে ২১০ শিশু নিহত হয়েছে এবং আরও ১ হাজার ৫১০ শিশু আহত হয়েছে।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়, ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি’র বরাতে দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ রেজা জাফারগান্দি এ তথ্য জানিয়েছেন।
মন্ত্রী আরও জানান, এখন পর্যন্ত হামলায় ৩০০টি স্বাস্থ্য, চিকিৎসা ও জরুরি সেবাকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
[/live_update]
[live_update time=”রাত ৯.২১” title=”হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধের হুঁশিয়ারি ইরানের”]
ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যদি তাদের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালানো হয়, তবে হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়া হবে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকির জবাবে এই সতর্কবার্তা দিল দেশটি।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়, রোববার ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র লক্ষ্যবস্তু করা হলে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে যতক্ষণ না এই স্থাপনাগুলো পুনঃনির্মাণ করা হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা হলে ইসরায়েলের বিদ্যুৎকেন্দ্র, জ্বালানি অবকাঠামো এবং তথ্য-যোগাযোগ প্রযুক্তি স্থাপনায় ‘ব্যাপক হামলা’ চালানো হবে। এ ছাড়া এই অঞ্চলের যেসব কোম্পানিতে যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানা রয়েছে, সেগুলোও ধ্বংস করা হবে। পাশাপাশি এই অঞ্চলের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর বিদ্যুৎকেন্দ্রকে বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকে ইরান হরমুজ প্রণালিতে চলাচল সীমিত করে দিয়েছে। দেশটির অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ বা ট্যাংকার প্রণালিটি পার হতে পারছে না।এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে এবং প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং বারবার ইরানকে হুমকি দিচ্ছে যাতে হরমুজে জাহাজ চলাচলে বাধা না দেয়।
ইরান বলছে, হামলা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল বা তাদের সহযোগী কোনো জাহাজ হরমুজ পার হতে পারবে না। পার হলে হামলা করা হবে।
এদিকে, ন্যাটো মিত্র দেশগুলোকে হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর জন্য ট্রাম্প একাধিকবার অনুরোধ করেছেন। তবে অধিকাংশ দেশ এতে অনিচ্ছুক। তবে গত ১৯ মার্চ ছয়টি দেশ—যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস ও জাপান—ঘোষণা করেছে, তারা হরমুজে নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিত করতে ‘যথাযথ প্রচেষ্টায়’ অংশ নিতে প্রস্তুত, যদিও এ পর্যন্ত বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
[/live_update]
[live_update time=”রাত ৮.১০” title=”মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধকে কলঙ্ক বলে অভিহিত পোপ লিও’র, যুদ্ধবিরতির আহ্বান”]
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধকে ‘মানব পরিবারের জন্য একটি কলঙ্ক’ আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন পোপ চতুর্দশ লিও।
রোববার ভ্যাটিকান সিটির সেন্ট পিটার্স স্কোয়ারে সাপ্তাহিক অ্যাঞ্জেলাস প্রার্থনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
পোপ লিও বলেন, ‘চলমান যুদ্ধে নিরপরাধ মানুষের মৃত্যু ও দুর্ভোগ গোটা মানবজাতির জন্য লজ্জাজনক এবং তা সহ্য করা যায় না।’
তিনি বলেন, ‘এত মানুষের কষ্ট এবং এই সংঘাতের শিকার নিরপরাধ মানুষদের দুর্দশার মুখে আমরা চুপ থাকতে পারি না। তাদের যে কষ্ট, তা সমগ্র মানবজাতির কষ্ট।’
পোপ লিও আরও জানান, মধ্যপ্রাচ্যসহ সহিংসতায় বিধ্বস্ত বিভিন্ন অঞ্চলের পরিস্থিতি তিনি গভীর হতাশার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছেন।
একই সঙ্গে তিনি বিশ্ববাসীকে প্রার্থনায় অবিচল থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমরা যেন প্রার্থনা করি, শত্রুতা বন্ধ হোক এবং শেষ পর্যন্ত শান্তির পথ উন্মুক্ত হোক।’
[/live_update]
[live_update time=”সন্ধ্যা ৭.৫৫” title=”আরও একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান”]
ইরান থেকে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে আরও একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েল।
আজ জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, দেশটির সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরান থেকে ছোড়া একাধিক ক্ষেপণাস্ত্রের ঢেউ শনাক্ত করেছে, যা ইসরায়েলের দিকে এগিয়ে আসছে।
সেনাবাহিনী আরও জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এমন এলাকাগুলোর বাসিন্দারা মোবাইল ফোনে সতর্কবার্তা পাবেন। পাশাপাশি সবাইকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার এবং নির্ধারিত নিরাপত্তা নির্দেশনা অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
[/live_update]
[live_update time=”সন্ধ্যা ০৭.০৬” title=”ইরান ৪০০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে, ৯২% ভূপাতিত: ইসরায়েল”]
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান ইসরায়েলের দিকে ৪০০টির বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, যার মধ্যে প্রায় ৯২ শতাংশ প্রতিহত করা হয়েছে। খবর আল জাজিরার।
ইসরায়েলি সামরিক মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাদাভ শোশানি সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইরান ৪০০টির বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। আমাদের প্রতিরোধের হার খুব ভালো—প্রায় ৯২ শতাংশ সফলভাবে ভূপাতিত করা সম্ভব হয়েছে।’
শনিবার ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলের দুটি শহরে আঘাত হানে, এতে প্রায় ১৮০ জন চিকিৎসা সহায়তার প্রয়োজন হয়েছে।
[/live_update]
[live_update time=”সন্ধ্যা ৬.৪২” title=”লেবাননে হামলায় হিজবুল্লাহ কমান্ডার নিহত, দাবি ইসরায়েলের”]
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে এক বিমান হামলায় হিজবুল্লাহর রাদওয়ান ফোর্সের এক কমান্ডারসহ আরও দুজনকে হত্যা করা হয়েছে।
এক বিবৃতিতে বলা হয়, মাজদাল সেলেম এলাকায় চালানো ওই হামলায় আবু খলিল বারজি নামের ওই কমান্ডার এবং হিজবুল্লাহর আরও দুই সদস্য নিহত হয়েছেন।
সেনাবাহিনী আরও জানায়, তারা দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় হিজবুল্লাহর অবকাঠামো লক্ষ্য করে একাধিক হামলা চালিয়েছে।
আল জাজিরা জানিয়েছে, এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সর্বশেষ উত্তেজনা শুরু হওয়ার পর থেকে লেবাননে এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে শতাধিক শিশু রয়েছে। [/live_update]
[live_update time=”সন্ধ্যা ৬.৩৫” title=”ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিতে বিশ্বনেতাদের আহ্বান নেতানিয়াহুর”]
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বিশ্বনেতাদের ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। দক্ষিণ ইসরায়েলের আরাদ শহরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে এ আহ্বান জানান তিনি।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহু দাবি করেছে ইতোমধ্যে কিছু দেশ এই পথে এগোচ্ছে। তিনি চলমান এই সংকটে আরও বিস্তৃত আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
নেতানিয়াহু অভিযোগ করেন, ইরান ইসরায়েলের বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ইরান এখন ইউরোপের গভীরে দূরপাল্লার লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সক্ষমতা অর্জন করেছে।
[/live_update]
[live_update time=”বিকাল ৪.৪২” title=”শত্রুপক্ষ ছাড়া সবার জন্য উন্মুক্ত হরমুজ প্রণালি: ইরান”]
ইরান জানিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি শত্রু দেশগুলোর জাহাজ ছাড়া অন্যান্য সব দেশের নৌযানের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। দেশটির মেহের নিউজ এজেন্সির বরাতে এতথ্য জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান।
দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়, একজন ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন—যথাযথ নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা হলে সব ধরনের বাণিজ্যিক ও অন্যান্য জাহাজ এই প্রণালি ব্যবহার করতে পারবে। তবে ‘শত্রু’ দেশগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো জাহাজ এই সুবিধার আওতায় আসবে না।
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশনে (আইএমও) নিযুক্ত ইরানের প্রতিনিধি আলী মুসাভিকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘আগ্রাসন’ এই গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে।
মুসাভি আরও বলেন, কূটনীতিক সমাধানই ইরানের অগ্রাধিকার। তবে এর জন্য আগ্রাসন সম্পূর্ণ বন্ধ হওয়া এবং পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস পুনর্গঠন অত্যন্ত জরুরি।
[/live_update]
[live_update time=”বিকাল ৪.৩০” title=”কাতারে সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ৭”]
কাতারের আঞ্চলিক জলসীমায় একটি সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে। রবিবার দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এদিকে তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে হেলিকপ্টারে থাকা মোট সাতজনই নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন তুর্কি সেনা সদস্য এবং তুর্কি প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানের দুইজন কর্মী রয়েছেন। এ ছাড়া কাতারের সশস্ত্র বাহিনীর চারজন সদস্যও এ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন।
এর আগে আল জাজিরা জানিয়েছিল, কাতারে একটি হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন এবং একজন নিখোঁজ রয়েছেন।
দুর্ঘটনার কারণ কাতার কর্তৃপক্ষের পরিচালিত তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
[/live_update]
[live_update time=”বিকাল ৩.৩৮” title=”ইরানের হামলায় দুই শহরে আহত অন্তত ১৮০ জন: ইসরায়েল”]
ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর দিমোনা ও আরাদে চালানো ইরানি ক্ষেপনাস্ত্রের হামলায় অন্তত ১৮০ জন নাগরিক আহত হওয়ার কথা জানিয়েছে ইসরায়েল।
এর মধ্যে দিমোনা শহরটিতে ইসরায়েলের প্রধান পারমাণবিক স্থাপনা অবস্থিত, আর এর পাশের শহরটিই আরাদ।
ইসরায়েলি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই দুটি অভিযানে হতাহতের এই সংখ্যা জানিয়েছে।
যার মধ্যে আরাদ শহরে অন্তত ১১৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে সাতজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। দিমোনা শহরে অন্তত ৬৪ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৪ হাজার ৫৬৪ জনকে হাসপাতালে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ১২৪ জন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, যাদের মধ্যে একজনের অবস্থা অতি-সংকটজনক এবং ১৩ জনের অবস্থা গুরুতর।
[/live_update]
[live_update time=”বিকাল ৩.২০” title=”ইরানের ছোড়া ১৪৫ ক্ষেপণাস্ত্র ও ২৪৬ ড্রোন ঠেকানোর দাবি বাহরাইনের”]
বাহরাইনের প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে যে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তারা ইরানের ছোড়া ১৪৫টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২৪৬টি ড্রোন মাঝপথে আটকে দিয়ে ধ্বংস করেছে।
সামরিক বাহিনী এক বিবৃতির বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পর্যায়ক্রমিক হামলার ঢেউ মোকাবিলা অব্যাহত রেখেছে। এসব হামলার জন্য তারা ইরানকেই দায়ী করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, চলমান এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির শুরু থেকেই এই ধরনের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
একই সঙ্গে বিবৃতিতে জনগণকে সতর্ক থাকার, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা বা সন্দেহজনক বস্তু এড়িয়ে চলার এবং সামরিক অভিযান বা আঘাতপ্রাপ্ত স্থানের ভিডিও ধারণ করা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, বেসামরিক অবকাঠামো এবং ব্যক্তিগত সম্পত্তি লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের ব্যবহার আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের এক চরম লঙ্ঘন।
[/live_update]
[live_update time=”দুপুর ১.১১” title=”লেবাননে স্থল অভিযান চলছে, জানাল ইসরায়েল”]
দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর বেশ কয়েকটি অবস্থানে অভিযান চালানোর মাধ্যমে স্থল অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।
তারা জানিয়েছে, এই অভিযানে অন্তত ১০ জন হিজবুল্লাহ যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। তবে এই হত্যাকাণ্ড কখন বা কোথায় ঘটেছে, সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কিছু জানানো হয়নি।

লেবাননের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ খিয়াম এবং তাইবেহ শহরের আশপাশে ভারী লড়াইয়ের খবরের মধ্যেই ইসরায়েলের এই বক্তব্য এল।
অন্যদিকে হিজবুল্লারহ দাবি, তারা রাতভর ইসরায়েলি অবস্থানগুলোতে অন্তত ১২টি হামলা চালিয়েছে। যার মধ্যে এই দুই শহরের ভেতরে ও আশেপাশে একাধিক রকেট হামলাও অন্তর্ভুক্ত।
[/live_update]
[live_update time=”বেলা ১১.৪৮” title=”মধ্য ইসরায়েলে বিস্ফোরণের শব্দ”]
ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর মধ্য ইসরায়েলে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
আল জাজিরা অ্যারাবিকের সহকর্মীদের বরাত দিয়ে আল জাজিরা ইংলিশ এই তথ্য জানিয়েছে।
ইরান থেকে ইসরায়েলি ভূখণ্ডের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের কিছুক্ষণের মধ্যেই এই বিস্ফোরণগুলোর খবর পাওয়া যায়। তবে এতে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির তাৎক্ষণিক খবর পাওয়া যায়নি।
[/live_update]
[live_update time=”সকাল ১০.১১” title=”তেহরানের আকাশে ড্রোন ধ্বংস করল ইরান”]
ইরানের সামরিক বাহিনী তেহরানের আকাশে একটি মার্কিন-ইসরায়েলি সশস্ত্র ড্রোনকে ভূপাতিত করার কথা জানিয়েছে।
তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে এই তথ্য দিয়েছে আল জাজিরা।
সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, `সাম্প্রতিক চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে শত্রুপক্ষের বিভিন্ন ধরনের ১২৭টি উন্নত ড্রোন দেশের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা লক্ষ্যবস্তু ও ধ্বংস করা হয়েছে।‘
এর আগে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছিল যে তারা তেহরানে নতুন করে হামলার ঢেউ শুরু করেছে। একই সময়ে শহরের বাসিন্দারা এর পূর্ব ও পশ্চিম দিকে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা জানিয়েছেন।
[/live_update]
[live_update time=”সকাল ৯.৪৭” title=”বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের স্থাপনায় হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের”]
ইরানের সামরিক বাহিনী সতর্ক করে বলেছে যে, তাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হলে তারা মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে যুক্ত সমস্ত জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালাবে।
ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ইব্রাহিম জুলফাগারি বলেছেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে যুক্ত লোনা পানি শোধন কেন্দ্র এবং তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামোতেও হামলা চালাবে।

ট্রাম্পের এক হুমকির পর ইরানের এই সতর্কবার্তা এলো।
এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, `ইরান যদি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দিতে ব্যর্থ হয়, তবে তাদের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালানো হবে।‘
ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রয়াত প্রধান আলী লারিজানি আগেই সতর্ক করে বলেছিলেন, যদি ইরানের বিদ্যুৎ গ্রিডকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়, তবে আধঘণ্টার মধ্যে পুরো অঞ্চল অন্ধকারে ডুবে যাবে।
[/live_update]
[live_update time=”সকাল ৯.৩৫” title=”ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে স্কুল বন্ধ, বড় জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা”]
ইসরায়েলের হোম ফ্রন্ট কমান্ড আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সব স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে ৫০ জনের বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ করেছে।
কান সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।

ওই এলাকায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।
কানের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই বিধিনিষেধ নেগেভ, লাচিশ এবং ডেড সি সংলগ্ন এলাকার জন্য প্রযোজ্য হবে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে, বড় ধরনের জমায়েত কেবল তখনই করা যাবে যদি অংশগ্রহণকারীরা ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কবার্তার সময় দ্রুত কোনো সুরক্ষিত আশ্রয়ে পৌঁছানোর সুযোগ পান।
এর আগে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেছিল যে সোমবার সারা দেশে সমস্ত শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
[/live_update]
[live_update time=”সকাল ৯.০০ GMT” title=”ইসরায়েলের ৫ শহরে হামলার দাবি আইআরজিসির”]
ইসরায়েলের পাঁচটি শহরে হামলার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
বাহিনীটির দাবি, তাদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের আরাদ, ইলাত, বিরশেবা, ডিমোনা ও কিরিয়াত গাত শহরের বেশ কয়েকটি সামরিক স্থাপনা এবং নিরাপত্তাকেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে।
আল জাজিরা জানিয়েছে, আইআরজিসির দাবি, এসব হামলায় ২০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
তবে ইসরায়েল কোনো নিহতের খবর নিশ্চিত করেনি। কেবল শতাধিক আহতের কথা বলা হয়েছে।
[/live_update]


