ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল আমীনের নেতৃত্বে আত্মপ্রকাশ ঘটেছে ‘বাংলাদেশ আ-আম জনতা পার্টির’ । ব্যতিক্রমী এ নাম নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। এরই মাঝে ‘আমজনতার দল’ নামের আরেকটি সংগঠন নির্বাচন কমিশনে (ইসি) রফিকুল আমীনের দলটিকে নিবন্ধন না দিতে আবেদন করেছে ।
নির্বাচন কমিশনের সামনে বৃহস্পতিবার বিকেলে বিক্ষোভ মিছিল করেন কিছু মানুষ। তারা রফিকুল আমীন ও ডেসটিনি গ্রুপের বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকান্ড তুলে ধরেন। বিক্ষোভ ও মানবন্ধনে অংশ নেয়া ব্যক্তিরা নিজেদের ‘ডেসটিনির ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী’ বলে পরিচয় দেন। তারা রফিকুল আমীনের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেন।
এ বিক্ষোভে শামিল ছিলেন মিয়া মশিউজ্জামানের নেতৃত্বাধীন আমজনতার দলের নেতাকর্মীরাও।
ইসিতে চিঠি দেওয়ার পর আমজনতার দলের সদস্য সচিব মো. তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা নির্বাচন কমিশনকে অবগত করতে এসেছি যে, একটা দল এক্সিসটিং রয়েছে। এর নামের আগে একটা ‘আ’ ও বাংলাদেশ লাগিয়ে দিয়ে নতুন দল করছে, এটা বাজে সংস্কৃতি। আমরা তো রফিকুল আমীনের দলের অংশ নই, তাদের দলের কেউ এখান থেকে যায়নি। আমজনতার দল দুভাগ হলে জানতে পারতাম; তারা তো আমজনতার কেউ নয়। তারা নতুন দল করেছে, নতুন নাম সিলেক্ট করা দরকার ছিল।’
দলের সভাপতি মিয়া মশিউজ্জামান বলেন, ‘গণঅধিকার পরিষদ দুই ভাগ হওয়ার পর একাংশ নিবন্ধন পায়, অন্য অংশের নিবন্ধনের বিষয়টি পেন্ডিং রয়েছে। এ অবস্থায় নাম পাল্টে এ বছরের ২৮ জানুয়ারি আমজনতার দল আত্মপ্রকাশ করে। আমজনতার দল ইসির কাছে নথিভুক্ত নাম। সরকারি বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও এ নামে আমন্ত্রণ পাচ্ছি।’
‘আমরা জানুয়ারিতে নথিভুক্ত ও নিবন্ধনের ফরম সংগ্রহ করেছি। এ নামে আরেকটা দল নথিভুক্ত হতে পারে না। এ নামের কাছাকাছি কোনো দল এলেও তা অগ্রাহ্য করব- এ বিষয়টি আমরা কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছি।’
গত ২৮ জানুয়ারি মিয়া মশিউজ্জামানের নেতৃত্বাধীন গণঅধিকার পরিষদের একাংশের নাম বদলে হয় ‘আমজনতার দল’। আর বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) বনানীর শেরাটন হোটেলে এক অনুষ্ঠানে ‘বাংলাদেশ আ-আম জনতা পার্টির’ আত্মপ্রকাশের ঘোষণা দেন ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীন।


