বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু, ও অংশগ্রহণমূলক গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ওপর গুরুত্ব দেয় জার্মানী। এছাড়া যে কোনো পরিস্থিতিতেই সব রকম মৃত্যুদণ্ডেরও বিপক্ষে দেশটি।
বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে কূটনৈতিক রিপোর্টারদের সংগঠন ডিকাব আয়োজিত অনুষ্ঠানে একথা বলেছেন ঢাকায় নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত রুডিগার লোটজ।
বাংলাদেশে সংলাপের মাধ্যমে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা বা ন্যাশনাল রিকন্সিলিয়েশন দরকার বলেও জানান জার্মান রাষ্ট্রদুত। বিশেষ করে নির্বাচনের পর দেশের বিভক্তি দূর করার জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি।
তিনি বলেন, আগামী বছর বাংলাদেশের বিশ্বের অন্যতম বড় গণতান্ত্রিক নির্বাচন হতে যাচ্ছে; যেখানে ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭০ লাখেরও বেশি। এই ভোটারদের উল্লেখযোগ্য অংশ নারী ও তরুণ। জার্মানীসহ ইউরোপীয় দেশগুলো মনে করে একটি বিশ্বাসযোগ্য অবাধ, সুষ্ঠু ও ব্যাপকভাবে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ।
এমন একটি নির্বাচন শুধু বাংলাদেশের জন্যই নয়-দক্ষিণ এশিয়াসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও গুরুত্বপূর্ণ।
এখানে একটি বিশ্বাসযোগ্য অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দরকার। বাংলাদেশ সেটি অর্জনের পথে আছে বলেও জার্মানীসহ ইউরোপীয় দেশগুলো বিশ্বাস করে।
অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের ব্যাখ্যা দিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, জার্মানি নির্বাচনে কোনো রকম বাধা বা হস্তক্ষেপ ছাড়া যেখানে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের অংশগ্রহণ দেখতে চায়।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড প্রসঙ্গে রুডিগার লোটজ বলেন, জার্মানি কোনো অবস্থাতেই শাস্তি হিসাবে মৃত্যুদণ্ড সমর্থন করে না। তবে ক্ষমতার অপব্যাহারের বিরুদ্ধে আইনের শাসনের মূল নীতি মেনে চলা দরকার। এক্ষেত্রে বিচার প্রক্রিয়ার আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রাখা অপরিহার্য বলেও মন্তব্য করেন রাষ্ট্রদূত রুডিগার লোটজ।


