মিডফোর্ডে সোহাগ হত্যা মামলায় ২১ আসামির বিচার শুরু

মিডফোর্ডে সোহাগ হত্যা মামলায় ২১ আসামির বিচার শুরু
মিটফোর্ডে লাল চাঁদ ওরফে মো. সোহাগ হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ২১ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছে আদালত। ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

রাজধানীর পুরান ঢাকায় স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের (মিটফোর্ড হাসপাতাল) সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে মো. সোহাগ (৩৯) হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ২১ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছে আদালত।

রোববার দুপুরে ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজ এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ১৯ জুলাই সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ এ এস এম শাহাদাৎ আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিচার শুরু হওয়া আসামিরা হলেন, মো. মাহমুদ হাসান মাহিন ওরফে মাহমুদুল হাসান (মহিন), মো. তারেক রহমান রবিন, মো. টিটন গাজী, মো. আলমগীর, মো. মনির ওরফে লম্বা মনির, মো. সজীব বেপারী, মো. নানু কাজী, মো. রিজওয়ান উদ্দীন ওরফে অভিজিৎ বসু, মো. জহিরুল ইসলাম, সাগর, মো. রুমান বেপারী, মো. আবির হোসেন ও মো. পারভেজ, মো. জহিরুল ওরফে জলিল, মো. ইমরান, মো. শারাফাত ওরফে শফিউল ইসলাম, মো. জিয়াউদ্দিন রাজিব, মো. হোসেন চৌকিদার, মো. সারোয়ার হোসেন টিটু, মো. মঙ্গল মিয়া ওরফে মনির হোসেন ও অপু দাস। আসামিদের মধ্যে প্রথম ১০ জন কারাগারে। পরের তিন জন উচ্চ আদালতে থেকে জামিনে রয়েছে। শেষের আট জন পলাতক রয়েছে।

আরও পড়ুন

এদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এই মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত অব্যাহতির আবেদন নামঞ্জুর করে চার্জগঠনের আদেশ দেয়। শুনানির সময় উপস্থিত আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায় বিচারের প্রার্থনা করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৫ সালের ৯ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটসংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে পাকা রাস্তার ওপর একদল লোক ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে (৩৯) এলোপাতাড়িভাবে পাথর দিয়ে আঘাত করে ও কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে। ওই ঘটনায় পরের দিন ১০ জুলাই নিহতের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম বাদী হয়ে ১৯ জনের বিরুদ্ধে কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়।

তদন্ত শেষে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর এই মামলায় ২১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার (বর্তমানে শাহবাগ) অফিসার্স ইনচার্জ মনিরুজ্জামান। এছাড়াও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১০ আসামিকে অব্যাহতির সুপারিশ করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

এদের মধ্যে ১৩ আসামি কারাগারে ও ৮ আসামি পলাতক রয়েছেন। পরে আবারও ২১ জন আসামির বিরুদ্ধে চলতি বছরের ১০ মে সম্পূরক চার্জশিট দেন কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর শাহ মো. ফয়সাল আহমেদ। নিহত সোহাগ কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পূর্ব নামাবাড়ি গ্রামের ইউসুফ আলী হাওলাদারের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন মিটফোর্ড এলাকার রজনি ঘোষ লেনে ব্যবসা করে আসছিলেন।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর