মারধর ও চাঁদা দাবি: জুলাই ফাউন্ডেশনের ১৪ নেতার বিরুদ্ধে মামলা

মারধর ও চাঁদা দাবি: জুলাই ফাউন্ডেশনের ১৪ নেতার বিরুদ্ধে মামলা
Advertisement
Advertisement

প্রতারণা, মারধর ও জুলাইযোদ্ধার কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলমের আদালতে জুলাইযোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন এ অভিযোগ করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী ইয়ামিন মিয়া জানান, আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে অভিযোগটি তদন্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার আসামিরা হলেন—ফাউন্ডেশনের সিনিয়র ভেরিফিকেশন অফিসার ইফতেখার হোসেন, এক্সিকিউটিভ মেম্বার সাবরিনা আফরোজ সেবন্তী, সাইদুর রহমান শাহিদ, মেহেদী হাসান প্রিন্স, সাগর, আফজালু রহমান সায়েম, হারুন অর রশীদ, কামরুল হোসেন, আলিফ, জাহিদ, মোমেনুজ্জামান দিপু, সাজ্জাদ মোস্তফা, ফাতেমা আফরিন পায়েল ও ইয়াছিন মোল্লা।

অভিযোগে গিয়াস উদ্দিন বলেন, জুলাইযোদ্ধা হিসেবে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন থেকে ৩ লাখ টাকার চেক পাওয়ার জন্য তিনি যোগাযোগ করেন। চেক না পেয়ে বাংলামোটরে এনসিপি কার্যালয়ে গিয়ে ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম, জুলাই আন্দোলনের নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ, তাসনিম জারা ও স্নিগ্ধকে বিষয়টি জানান। তারা তাকে ফাউন্ডেশনে গিয়ে চেক নেওয়ার পরামর্শ দেন।

আরও পড়ুন

এরপর গত বছরের ৩ মে চেক নিতে ফাউন্ডেশনে গেলে আসামিরা চেকের ৩ লাখ টাকার অর্ধেক অর্থাৎ দেড় লাখ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ করেন গিয়াস উদ্দিন। ওই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে কৌশলে একটি গোপন কক্ষে নিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, মেহেদী হাসান প্রিন্স ও সাগর গিয়াস উদ্দিনের দুই হাত ধরে রাখেন। এ সময় শাহিদ ও সায়েম তাকে কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন। একপর্যায়ে তাকে দেয়ালে ধাক্কা দেওয়া হলে রডের সঙ্গে মাথায় আঘাত লেগে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। জ্ঞান ফেরার পর শরীর থেকে রক্ত ঝরতে দেখেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

গিয়াস উদ্দিন আরও অভিযোগ করেন, চিৎকার ও কান্নাকাটি করলে শাহিদ, সায়েম ও কামরুল তাকে ফের মারধর করেন এবং ফাউন্ডেশন থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে হারুন ও কামরুল তাকে ফাউন্ডেশনের লিফটের সামনে রেখে যান। পরে তার ছেলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করান।

বাদীর দাবি, ঘটনার পর তিনি থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি এবং বিভিন্নভাবে কালক্ষেপণ করে। পরে আদালতের মাধ্যমে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হলে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর