প্রায় তিন মাস খাদ্য ও ওষুধ অবরোধের পর অবশেষে সোমবার গাজায় প্রবেশ করেছে প্রথম দফার ত্রাণ। ইসরায়েল ও জাতিসংঘ এক যৌথ বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ মিত্রদের ক্রমবর্ধমান চাপেই এই সিদ্ধান্ত এসেছে বলে জানিয়েছে তেলআভিভ।
বার্তা সংস্থা এপি নিউজ জানায়, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা সংস্থা কোগ্যাটের তথ্যমতে, কেরেম শালোম সীমান্ত দিয়ে শিশুখাদ্যসহ পাঁচটি ট্রাক গাজায় প্রবেশ করেছে। জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা প্রধান টম ফ্লেচার এ ঘটনাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে তিনি বলেন, ‘এটি একটি মহাসাগরে একটি ফোঁটা মাত্র।’
গত সপ্তাহে খাদ্য নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা গাজায় দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। সর্বশেষ যুদ্ধবিরতির সময় প্রতিদিন প্রায় ৬০০ ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ করতো।
ইসরায়েল জানিয়েছে, মঙ্গলবার আরও চারটি জাতিসংঘের ট্রাক প্রবেশের অনুমতি পাবে। তবে জাতিসংঘ আশঙ্কা করছে, বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির কারণে এসব ত্রাণ লুট বা চুরি হতে পারে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু জানান, পশ্চিমা মিত্ররা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে—’গাজা থেকে অনাহারের ছবি’ দেখা গেলে তারা আর সামরিক অভিযান সমর্থন করবে না।
ত্রাণ প্রবেশের পর এক যৌথ বিবৃতি যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও কানাডা বলেছে, ওই ত্রাণ ‘চরম অপর্যাপ্ত’। পাশাপাশি দেশগুলো ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
এদিকে ইসরায়েল গাজা জুড়ে নতুন করে বিমান ও স্থল হামলা শুরু করেছে এবং খান ইউনিস শহর থেকে বাসিন্দাদের সরে যেতে বলেছে। নেতানিয়াহু বলেছেন, গাজার পুরো নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরিকল্পনা আছে তাদের।


