ডিভোর্সি ট্যাগ নিয়ে থাকা ভালো: তিথি

ডিভোর্সি ট্যাগ নিয়ে থাকা ভালো: তিথি
ইফফাত আরা তিথি
Advertisement
Advertisement

অভিনেতা যাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইবনাথ খান ইকরার আত্মহত্যার ঘটনার পর থেকে আলোচনায় উঠে এসেছে অভিনেত্রী ইফফাত আরা তিথির নাম। সামাজিকমাধ্যমে তাকে ঘিরে চলছে নানা ধরনের আলোচনা, সমালোচনা ও ট্রল। অভিযোগ উঠেছে, যাহের আলভীর সঙ্গে তার পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল এবং সেই বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর দাম্পত্য কলহের জেরেই ইকরা আত্মহত্যার পথ বেছে নেন।

ইকরার আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে যাহের আলভীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সেই মামলায় তিথিকেও আসামি করা হয়েছিল। তবে পরে তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে এই ঘটনার পর সামাজিকমাধ্যমে তিথির অতীত জীবন নিয়েও নানা দাবি ছড়িয়ে পড়েছে। কেউ কেউ অভিযোগ করছেন, অন্যের সংসার ভাঙার ইতিহাস রয়েছে তার। এমনকি যাহের আলভীর আগেও তিনি নাকি এক নারীর সংসার ভেঙে তার স্বামীকে বিয়ে করেছিলেন—এমন কথাও প্রচার করা হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তিথি। তিনি জানান, তার সাবেক স্বামী তাকে বিয়ের আগেই ডিভোর্সড ছিলেন। তাই কারও সংসার ভাঙার প্রশ্নই ওঠে না।

তিথির দাবি, সাবেক স্বামীর দুটি সন্তান ছিল এবং তারা বাবার সঙ্গেই থাকত। সেই সময় তিনি একই বাসায় তাদের সঙ্গে থেকেছেন এবং তাদের সঙ্গে তার সম্পর্কও ছিল খুব ভালো। বিশেষ করে সাবেক স্বামীর মেয়ের সঙ্গে এখনো মাঝে মাঝে যোগাযোগ হয় বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন

সাবেক স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের কারণ জানতে চাইলে তিথি বলেন, বনিবনা না হওয়ায় দুজনের সম্মতিতেই বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তার মতে, দাম্পত্য সম্পর্কে অশান্তি নিয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে বিচ্ছেদই অনেক সময় ভালো সিদ্ধান্ত। তিথির ভাষায়, ‘লাশ হয়ে বের হওয়ার চেয়ে ডিভোর্সি ট্যাগ নিয়ে থাকা ভালো।’

তিনি আরও বলেন, সংসার টিকিয়ে রাখার চেষ্টা সত্ত্বেও যখন সম্পর্ক আর এগোয় না, তখন আইনি বিচ্ছেদই বাস্তবসম্মত পথ। সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণে ‘ডিভোর্সি’ পরিচয় নিয়ে তার কোনো সংকোচ নেই।

অভিনেত্রীর মতে, অতীতের বিষয় টেনে এনে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করারও কোনো যৌক্তিকতা নেই। তিনি মনে করেন, যেহেতু আগের সম্পর্কটি আইনিভাবে শেষ হয়েছে, তাই এখন সেটি নিয়ে আলোচনা তোলার প্রয়োজন নেই।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
টাইমস রিপোর্ট
টাইমস রিপোর্ট

Staff Reporter, Times of Bangladesh

সম্পর্কিত খবর