‘চাঁদা নয়, অনুদানের’ টাকায় শ্রমিকদের ঈদ উপহার দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির (এনসিপি) শ্রমিক উইং। আগামী ৪ জুন অনুষ্ঠেয় শ্রমিকদের এই উপহার দেওয়ার আয়োজনের জন্য এরই মধ্যে তারা ‘অনুদানের’ অর্থ সংগ্রহে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির কাছে কার্ড পাঠিয়েছে।
জানা গেছে, এই কার্ডে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিবর্গের কাছে সরাসরি ‘সহযোগিতা’ চাওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এনসিপির শ্রমিক উইংয়ের আত্মপ্রকাশের পর এটিই তাদের প্রথম কর্মসূচি।
শ্রমিক উইংয়ের যুগ্ম সমন্বয়ক মামুন চাকলাদার টাইমস অব বাংলাদেশকে এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘শ্রমিকদের ঈদ উপহার দেওয়ার জন্য সামর্থবানদের কাছে আমরা আর্থিক “সহযোগিতা” চাইছি। এটি চাঁদাবাজি নয় বলেই কার্ডে তা সরাসরি উল্লেখ করা হয়েছে।’
মামুন বলেন, ‘কী পরিমাণ “আর্থিক সহযোগিতা” পাওয়া গেল, তার উপর নির্ধারিত হবে উপহার সামগ্রীর প্যাকেজ।’
‘এতে ঈদের খাদ্য সামগ্রী থাকতে পারে। “আর্থিক অনুদান” বেশি পাওয়া গেলে পাশাপাশি নতুন কাপড় হিসেবে শাড়ি-লুংগি থাকতে পারে,’ যোগ করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, অনুষ্ঠানের আগেই সাংগঠনিক ফোরামের বৈঠকে নেতারা বসে বিস্তারিত সিদ্ধান্ত নেবেন।
শ্রমিক উইংয়ের কেন্দ্রীয় সংগঠক রিয়া পারভীন টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘ নতুন সংগঠন হিসেবে বিত্তবানরা যদি “আশির্বাদের হাত আমাদের মাথায় রাখেন” তাহলে ঈদ উপহার বিতরণের কাজ অনেক সহজ হয়ে যায়।’
‘এখানে কোন জোর-জবরদোস্তির প্রশ্নই আসে না,’ উল্লেখ করেন তিনি।
২৩ মে সংবাদ সম্মেলনে একটি ১৫৫ সদস্যবিশিষ্ট সমন্বয় কমিটি ঘোষণার পাশাপাশি আত্মপ্রকাশ করে এনসিপির শ্রমিক উইং।
মজহারুল ইসলাম ফকিরকে শ্রমিক শাখার প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। কমিটিতে রয়েছেন ১০ জন যুগ্ম সমন্বয়কারী, ৫১ জন সংগঠক এবং ৫৪ জন সাধারণ সদস্য।
প্রধান সমন্বয়কারী মজহারুল ইসলাম ফকির শ্রমিক শাখার সমন্বয় কমিটি ঘোষণা করেন, যেখানে যুগ্ম সমন্বয়কারী হিসেবে রয়েছেন— মোশাররফ হোসেন স্বপন, শাহ আলম, আল আমিন, মো. আবু আব্দুল্লাহ, তৌহিদুল ইসলাম, আলেয়া খাতুন (অফিস), সাজিব ওয়াফি, সৈয়দ মোহাম্মদ সোহরাব, আব্দুল বারেক এবং মামুন চাকলাদার।


