বান্দরবানের থানচির বিভিন্ন পর্যটন স্পটে আটকে পড়া ৭৯ জন পর্যটকের সবাই নিরাপদে নিজ নিজ এলাকায় ফিরে গেছেন। থানচি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আবদুল্লাহ আল ফয়সাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘ট্যুর গাইড অ্যাসোসিয়েশন এবং স্থানীয় জগণের সক্রিয় সহায়তায় মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আমরা তাদের থানচি উপিজেলা সদরে ফিরিয়ে এনেছি। সেখান থেকে তারা নিজ উদ্যোগে যার যার এলাকার উদ্দেশে রওনা করেছেন।’
তিন্দু ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অং প্রু মারমা জানিয়েছেন, পর্যটকদের মধ্যে অনেকেই তার শিলাগিরি রিসোর্টে আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি তাদের সেখানে থাকার জন্য কোন ভাড়া নেননি।
থানচিতে ঘুরতে এসে বৈরী আবহাওয়ায় আটকে পড়া বরিশাল সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী জাকির হোসেন জানান, জীবনে প্রথমবার থানচি এসে তিনি প্রকৃতির রুদ্ররোষ দেখেছেন।
বলেন, ‘আটকে থাকা অবস্থায় ঘরোয়া কটেজ, ট্যুর গাইড, স্থানীয় জনগণ এবং প্রশাসনের ব্যাপক সহযোগিতা পেয়েছি।’
থানচি ট্যুর গাইড অ্যাসোদিয়েশনের সিনিয়র সদস্য মামুনুর রশীদ জানান, লাইফ জ্যাকেট পরিয়ে কখনো পাহাড়ের ট্রেইল ধরে হাঁটা পথে কিংবা নৌকায় চড়িয়ে আটকে পড়া পর্যটকদের থানচি ট্যুর অফিসে নিয়ে আসা হয়। এরপর ধাপে ধাপে তারা বিভিন্ন যানবাহন যোগে গন্তব্যের উদ্দেশে যাত্রা করেন।
এদিকে রুমাতেও আটকে পড়া পর্যটকদের অনেকে উপজেলা সদরে ফিরতে শুরু করেছেন বলে জানা গেছে। গত রোববার ও সোমবার যারা কেওক্রাডং চূড়া, সুংসুয়াং পাড়াসহ বিভিন্ন স্পটে গেছেন, তাদের অনেকেই বৈরী আবহাওয়ার কারণে আর ফিরতে পারেননি। তবে পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হওয়ায় মঙ্গলবার সন্ধ্যা এবং বুধবার সকালে তারা রুমা উপজেলা সদরে ফিরতে শুরু করেছেন।


