ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন জনপ্রিয় দুই সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরী ও ডলি সায়ন্তনী। ইন্ডাস্ট্রিতে তারা দুজন ছিলেন আলোচিত জুটি ও দম্পতি। তাদের হঠাৎ বিচ্ছেদে ভক্তদের মধ্যে বিস্ময় সৃষ্টি হয়েছিল।
এতদিন ধরে দুজনের কেউই এ বিষয়ে খুব একটা কথা না বললেও সম্প্রতি একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে মুখ খুলেন রবি চৌধুরী। তিনি দাবি করেন, ডলি সায়ন্তনী তার অজান্তে বিপ্লব নামের একজন কোরিয়া প্রবাসী গাড়িচালকের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়েছিলেন।
রবি চৌধুরী পডকাস্টে জানান, ডলির ফোনে ‘দুলাভাই’ নামে সেভ করা একটি নম্বর থেকে তার সন্দেহ শুরু হয়। পরে ডলির অভিভাবকদের ডেকে নম্বরটি যাচাই করলে জানা যায়, পরিবারে এমন কোনো দুলাভাই নেই। প্রমাণ পাওয়ার পর তিনি ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নেন। এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ও উদ্ধৃতি ভাইরাল হয়ে তুমুল আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। কেউ কেউ প্রশংসা করলেও, অধিকাংশ মানুষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রবির সমালোচনা করেছেন কেউ ব্যক্তিগত বিষয় প্রকাশ্যে আনায়।
টাইমস অব বাংলাদেশকে কানাডা থেকে হোয়াটসঅ্যাপে ডলি সায়ন্তনী রবির অভিযোগকে ‘বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি আমাদের পরিবার ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যে বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টি নিয়ে কোনো বিতর্কে যেতে চাই না। সম্মান ও আইনের প্রতি আস্থা রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।’
ডিভোর্স প্রসঙ্গে ডলি স্পষ্ট করেন যে, ডিভোর্স তিনি নিজেই দিয়েছিলেন। কেন সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তা এখন আর বলতে চান না, তবে ডিভোর্সের সময় প্রেস কনফারেন্স করে বিস্তারিত জানিয়েছিলেন বলেও জানান।
এ বিষয়ে রবি চৌধুরীর বক্তব্য জানা যায়নি। তবে তিনি মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ফেসবুক আইডিতে এক স্ট্যাটাসে জানান, তিনি কিছুদিনের জন্য ইন্টারভিউ থেকে বিরত থাকতে চান। তিনি লেখেন, ‘ফেসবুকে কিছুদিনের জন্য ইন্টারভিউ থেকে বিরত থাকতে চাই, কারণ বলি একটা লিখে আরেকটা, ভালো থাকবেন সবাই।’


