দিনাজপুরে রাসায়নিক কীটনাশক ও সারের ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশবান্ধব ও জৈব পদ্ধতিতে সবজি চাষ বাড়ছে। উৎপাদন খরচ কম হওয়া, বাজারে ভালো দাম ও ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে জেলার কৃষকরা আধুনিক ও সমন্বিত বালাইনাশক পদ্ধতির দিকে ঝুঁকছেন।
সদর উপজেলার আস্করপুর ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকায় করলা, লাউ, বেগুন, ঝিঙা, মরিচ ও পটলসহ নানা ধরনের মৌসুমি সবজির ব্যাপক ফলন হচ্ছে। এখানকার উৎপাদিত বিষমুক্ত সবজি স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা, রংপুর ও রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় শহরে সরবরাহ করা হচ্ছে।
ক্ষতিকর পোকামাকড় দমনে কৃষকরা এখন কীটনাশকের পরিবর্তে ফেরোমন ফাঁদ, হলুদ আঠালো ফাঁদ ও আলোক ফাঁদের মতো আধুনিক পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও জৈব সার ব্যবহার করছেন। স্থানীয় কৃষক মাইনুল ও আবদুল্লাহ জানান, জৈব পদ্ধতিতে চাষ করায় উৎপাদন খরচ অনেক কমেছে। বাজারে নিরাপদ সবজির চাহিদা বেশি থাকায় তারা ভালো দাম পাচ্ছেন, লাভবান হচ্ছেন।
দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আফজাল হোসেন জানান, জেলায় প্রায় ৩০ হাজার হেক্টর জমিতে সবজির আবাদ হয়।
তিনি বলেন, ‘বিষমুক্ত ও নিরাপদ সবজি উৎপাদনের এই উদ্যোগ আরও সম্প্রসারিত হলে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার সঙ্গে কৃষকদের আয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।’


