কক্সবাজারের টেকনাফে পৃথক দুটি অভিযানে একটি বিদেশি জি-৩ রাইফেল, দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ এবং পাঁচ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। এ সময় অভিযানের খবর পেয়ে ডাকাত ও মাদক কারবারিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
বুধবার দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, টেকনাফ উপজেলার দমদমিয়া ১৪ নম্বর সেতুসংলগ্ন পাহাড়ে একটি ডাকাত দল অপহরণ ও ডাকাতির উদ্দেশে অবস্থান করছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার ভোর ৫টার দিকে কোস্ট গার্ডের টেকনাফ স্টেশন ও পুলিশের সমন্বয়ে ওই এলাকায় যৌথ অভিযান চালানো হয়।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, ‘অভিযানের সময় যৌথ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের সদস্যরা পাহাড়ের দিকে পালিয়ে যায়। পরে ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি বিদেশি জি-৩ রাইফেল, ম্যাগাজিনসহ দুটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, তিনটি দেশীয় অস্ত্র, ১৩ রাউন্ড তাজা গোলা ও এক লিটার দেশীয় মদ উদ্ধার করা হয়।’
অন্যদিকে টেকনাফের সাবরাং এলাকায় মঙ্গলবার রাতে কোস্ট গার্ডের টেকনাফ স্টেশন ও সাবরাং আউটপোস্টের সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৃথক একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন।
সাব্বির আলম সুজন বলেন, ‘অভিযানের সময় ওই এলাকার একটি সন্দেহজনক বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ২৫ লাখ টাকা দামের পাঁচ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। তবে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।’
উদ্ধার হওয়া অস্ত্র-গোলাবারুদ ও জব্দ করা ইয়াবার বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।
সাব্বির আলম সুজন আরও বলেন, ‘দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে ভয়াবহ মাদকের বিস্তার রোধ ও অপরাধ দমনে কোস্ট গার্ডের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’


