খাগড়াছড়িতে রাতে বৃষ্টি কমায় চেঙ্গী নদীর পানি কিছুটা কমেছে, তবে মাইনী নদীর পানি আরও বেড়েছে। জেলা সদরের কিছু নিচু এলাকার জলাবদ্ধতা আংশিক কমলেও বেতছড়ি মার্মাপাড়া, বিচিতলা, লার্মাপাড়া ও বটতলায় এখনো পানি জমে আছে। এদিকে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় সাজেকে আটকা পড়েছে ৪০০ পর্যটক।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে জেলার নিচু এলাকাগুলো চতুর্থ দিনের মতো প্লাবিত। বন্যা ও পাহাড় ধসের আশঙ্কায় জেলায় ১৩৫টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। দীঘিনালার আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ইতোমধ্যে কিছু পরিবার আশ্রয় নিয়েছে।
দুই দিনেও জেলার সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়নি। দীঘিনালার কবাখালি ও মেরুং এলাকায় সড়ক তলিয়ে থাকায় দীঘিনালা-লংগদু, দীঘিনালা-বাঘাইছড়ি ও দীঘিনালা-সাজেক সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ। এতে সাজেকের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, সেখানে আটকা পড়েছেন চার শতাধিক পর্যটক।
এদিকে মহালছড়ির মাইসছড়ি কালাপাহাড় জামতলী এলাকা প্লাবিত হওয়ায় গত রাত থেকে খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি সড়কেও যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
জেলা প্রশাসক আনোয়ার সাদাত জানান, ঝুঁকি এড়াতে ক্ষতিগ্রস্তদের আশ্রয়কেন্দ্রে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। আশ্রয় নেওয়া প্রায় আড়াই হাজার পরিবারের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া নতুন কোনো পানিবন্দি পরিবারের খবর পেলে তাদের কাছেও খাবার পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।


