পাইপলাইনে টানা নিম্নচাপ ও দীর্ঘস্থায়ী গ্যাস সংকটের কারণে সাধারণ পরিবারগুলো বৈদ্যুতিক চুলার দিকে ঝুঁকছেন। রান্নার আরও নির্ভরযোগ্য বিকল্প খুঁজতে শুরু করায় বিক্রি অনেকটা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। লাইনের গ্যাসে ঘন ঘন বিঘ্ন ঘটায় নবাবপুর ইলেকট্রনিক্স মার্কেট থেকে একটি ইলেকট্রিক বৈদ্যুতিক চুলা কিনেছেন ফারজানা বেগম। তিনি টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘বাসায় পাইপলাইনের গ্যাস থাকলেও প্রায়ই চাপ খুব কম থাকে, কিংবা সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ থাকে। বেশ কিছুদিন ধরে একটা ইলেকট্রিক চুলা কেনার পরিকল্পনা করছিলাম। এবার অবশেষে একটা কিনে ফেললাম। ১০ দিনেরও বেশি সময় ধরে ঢাকার অনেক এলাকায় দিনের বেলা পাইপলাইনের গ্যাস একেবারেই মিলছে না বা সামান্য পাওয়া যাচ্ছে। অনেক রাতে মিলছে সরবরাহ।…
Author: মহসিন ইসলাম
বাংলাদেশের গ্যাসের ঘাটতি এখন কেবল জ্বালানি সংকটের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। রূপ নিয়েছে শিল্প খাতে বড় বিপর্যয়ে। এতে কারখানাগুলো উৎপাদন কমাচ্ছে বা বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছে। দীর্ঘায়িত হচ্ছে বিনিয়োগ। সেই সঙ্গে বাড়ছে আমদানিনির্ভরতা। উদ্যোক্তারা জানান, নতুন শিল্প সংযোগ বন্ধ থাকা, নিজস্ব উৎপাদন হ্রাস এবং এলএনজি আমদানির সীমিত ক্ষমতার কারণে দেশের উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি সক্ষমতা দুর্বল হচ্ছে। দেশজুড়ে প্রায় ৪০ শতাংশ কারখানা গ্যাস ও বিদ্যুতের ঘাটতির কারণে আংশিক চালু বা বন্ধ রয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দুর্বল মূলধন ও ব্যাংক ঋণের সীমাবদ্ধতা। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল জানান, গত কয়েক বছরে ১৫ লাখ চাকরি হারিয়ে গেছে। উৎপাদন…

