চট্টগ্রামে ১১ আসনের প্রার্থীদের নেই এমপি হওয়ার অভিজ্ঞতা

চট্টগ্রামে ১১ আসনের প্রার্থীদের নেই এমপি হওয়ার অভিজ্ঞতা
চট্টগ্রাম ম্যাপ
Advertisement
Advertisement

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের ১৬টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন ১১১ জন প্রার্থী। এর মধ্যে পূর্বে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এমন প্রার্থী রয়েছেন মাত্র পাঁচটি আসনে। আর বাকি ১১টি আসনের প্রার্থীদের নেই এমপি হওয়ার অভিজ্ঞতা। তারা সবাই নতুন। অভিজ্ঞ পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে চারজন বিএনপির এবং একজন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রচারের শেষ পর্যায়ে এসে প্রার্থীরা এখন ব্যস্ত গণসংযোগে। উন্নয়ন, অবকাঠামো ও স্থানীয় সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি নিয়ে তারা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। নির্বাচনী মাঠে অভিজ্ঞ ও নতুন মুখের এই মিশ্র উপস্থিতি ভোটারদের আগ্রহ বাড়িয়েছে।

চট্টগ্রাম-১১ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০০১ সালের সরকারে বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে বিএনপির মোস্তফা কামাল পাশা ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। তিনি ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে বিএনপির গিয়াস উদ্দীন কাদের চৌধুরী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি ১৯৮৬ ও ১৯৯৬ সালে সংসদ সদস্য ছিলেন।

আরও পড়ুন

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে বিএনপির সারোয়ার জামাল নিজাম ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। তিনি ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগড়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি ১৯৯১ ও ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

নির্বাচনী বিশ্লেষকদের মতে, এই পাঁচ আসনে অভিজ্ঞতা ও নতুন নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা ভোটের ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে।

চট্টগ্রামের বাকি ১১টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে কেউই আগে সংসদ সদস্য ছিলেন না। এসব আসনে নতুন মুখের উপস্থিতি নির্বাচনে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে। মিরসরাই, ফটিকছড়ি, সীতাকুণ্ড-আকবরশাহ, হাটহাজারী-বায়েজিদ (আংশিক), রাঙ্গুনিয়া, চান্দগাঁও-বোয়ালখালী, কোতোয়ালি-বাকলিয়া, হালিশহর-পাহাড়তলী-ডবলমুরিং, পটিয়া, চন্দনাইশ-সাতকানিয়া (আংশিক) এবং বাঁশখালী আসনগুলোতে নতুন প্রার্থীদের মধ্যেই লড়াই সীমাবদ্ধ।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নিয়াজ উদ্দিন টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘যারা আগে নির্বাচিত হয়েছিলেন, তাদের অভিজ্ঞতা দিয়ে ভালো করার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে যদি আগে সংসদ সদস্য থাকাকালীন তার কর্মকাণ্ড খারাপ হয়, তাহলে নতুনরাই এগিয়ে যাবেন।’

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad