সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। তাদের মধ্যে পাঁচজন নওগাঁর ও বাকি দুজন নাটোরের বাসিন্দা,
শনিবার সকাল ৮টা ২১ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিশেষ ফ্লাইট বিজি-৩৩৬-এ মরদেহগুলো ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
গত ৯ আগস্ট সৌদি আরবের রিয়াদের একটি সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৬ জন বাংলাদেশি কর্মী মারা যান। এরমধ্যে গত ২৭ আগস্ট নয়জনের মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানো হয়। অবশিষ্ট সাতটি মরদেহের পরিচয় ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়।
সৌদি দূতাবাস থেকে পাঠানো তালিকায় শনাক্ত হওয়া নওগাঁর পাঁচজন হলেন- পার নওগাঁ এলাকার মজনু রহমানের ছেলে শাহিন, আত্রাই উপজেলার ডুবাই গ্রামের নাজমুল হুদার ছেলে হাসিবুল হাসান শুভ, একই উপজেলার মধ্যবোয়ালিয়া গ্রামের আক্কাস প্রামানিকের ছেলে মিনহাজ প্রামানিক, মাধবপুর গ্রামের মজনু সরদারের ছেলে মাসিদুল সরদার সজিব এবং সাধনগর গ্রামের আজহার আলীর ছেলে সাগর আলী।
বাকি দুজন হলেন- নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার মোহাম্মদ শামীম ও মো. সাব্বির হোসেন।
দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, সৌদি আরবে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিদের হামলার জেরে গত ১০ অক্টোবর থেকে রিয়াদ থেকে সব ধরনের ফ্লাইট সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় মরদেহগুলো দেশে পাঠাতে বিকল্প ব্যবস্থা নিতে হয়। প্রথমে সড়কপথে মরদেহগুলো রিয়াদ থেকে জেদ্দায় নেওয়া হয়। পরে কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটে ঢাকায় পাঠানো হয়।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের দাফনের জন্য প্রাথমিকভাবে প্রত্যেক পরিবারকে ৩৫ হাজার টাকা দেওয়া হবে। তিন মাস পর ভুক্তভোগী প্রতিটি পরিবারকে তিন লাখ টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে।


