চলতি বছরে রসায়নে নোবেল পেয়েছেন অঁরি বি কাগান ও কেনসো সোআই নামে দুই বিজ্ঞানী। অসমমিত জৈব সংশ্লেষণে অরৈখিক প্রভাব ও স্ব-অনুঘটন আবিষ্কারের জন্য তাদেরকে এই পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস।
ফরাসি বিজ্ঞানী অঁরি কাগান রাসায়নিক বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণের নতুন একটি উপায় আবিষ্কার করেছেন। এর মাধ্যমে কোনো অণুর দর্পণ-প্রতিবিম্বের মতো দুটি রূপের একটিকে অন্যটির তুলনায় আগের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। ওষুধ, খাবারের স্বাদ তৈরির উপাদান, সুগন্ধি ও নতুন উপকরণ উৎপাদনের জন্য যেসব রসায়নবিদ রাসায়নিক বিক্রিয়ার পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন, তাদের কাজে এই আবিষ্কার বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে।
অন্যদিকে জাপানের বিজ্ঞানী কেনসো সোআই প্রথম এমন একটি রাসায়নিক বিক্রিয়া উদ্ভাবন করেছেন, যেখানে অণুর সম্ভাব্য দুটি দর্পণ-প্রতিবিম্ব রূপের মধ্যে কেবল একটিই তৈরি হয়। জীবনের নিজস্ব প্রক্রিয়া ছাড়া এর আগে কেউ এমনটি করতে পারেননি। এ পর্যন্ত পরিচালিত রাসায়নিক পরীক্ষাগুলোর মধ্যে ‘সোআই বিক্রিয়া’ অন্যতম চমকপ্রদ।
প্রত্যেক বিভাগের নোবেলজয়ী বিজ্ঞানীরা পাবেন একটি নোবেল মেডেল, একটি সনদপত্র এবং মোট ১২ মিলিয়ন বা ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা। ২০২৫ সালে নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্য ছিল ১ কোটি ১০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা। ২০২৬ সালে তা বাড়িয়ে ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি পুরস্কারে ১০ লাখ ক্রোনা বা প্রায় ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।


