টানা চতুর্থবারের মত দেশের বাজারে সোনার দাম কমেছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম কমায়, দেশের বাজারে সোনার দাম কমেছে। এতে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
এর আগে, টানা কয়েকবার সোনার দাম বাড়ানোর পর গত শনিবার সোনার দাম ভরিতে ৭ হাজার ১১৫ টাকা কমানো হয়। এরপর দুইদিনের ব্যবধানে সোমবার আবারও ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ভরিতে ৪ হাজার ৪৭৪ টাকা কমানো হয়। ফের একদিনের ব্যবধানে মঙ্গলবার সোনার দাম ভরিতে ৪ হাজার ৪৭৪ টাকা কমানোর পর আজ আবারও সোনার দাম কমল।
বুধবার সকালে বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং এন্ড প্রাইস মনিটরিং-এর এক জরুরি সভায় নতুন দামের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা সকাল ১০টা থেকে সারাদেশে কার্যকর হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২১ হাজার ৪৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম এক লাখ ৯০ হাজার ১২৩ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩০৬ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, মূলত বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমে যাওয়ায় দেশের বাজারেও সোনার দাম কমিয়েছে জুয়েলার্স সমিতি। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে নির্ধারিত নতুন এ দাম কার্যকর থাকবে। সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে নতুন কোনো ভ্যাট আদায় করা যাবে না। তবে কারিগররা গয়নার ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি রাখতে পারবেন।
দেশের ইতিহাসে সোনার দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায় চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি। এদিন সোনার দাম একলাফে ভরিতে ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বেড়ে ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় দাঁড়ায়। এ বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১১১ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৬ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে, ৫৪ দফা কমানো হয়েছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে।
সোনার দামের পাশাপাশি দেশের বাজারে রুপার দামও কমেছে। নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের ভালো মানের এক ভরি রুপার দাম এখন ৫ হাজার ১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ৭৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৮২ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৯১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।


