নেত্রকোণার বারহাট্টায় বিধবা নারীকে ধর্ষণের মামলায় ১৩ বছর পর রায় দিয়েছেন আদালত। এত আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া কন্যাশিশুকে পিতৃপরিচয় দেওয়া হয়েছে।
বুধবার দুপুরে নেত্রকোণা জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এই রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মো. হেলাল বারহাট্টার স্বল্পদশাল গ্রামের মো. আলমের ছেলে। তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১ মার্চ হেলাল এক প্রতিবেশী বিধবা নারীকে ধর্ষণ করেন। এতে ভুক্তভোগী নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে একটি কন্যাশিশুর জন্ম দেন। ওই বছরের ১০ মার্চ ভুক্তভোগীর বোন শহরবানু বাদী হয়ে বারহাট্টা থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়।
ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন ও বিভিন্ন সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত নিশ্চিত হয়, আসামি হেলালই শিশুটির জৈবিক পিতা। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত শিশুটিকে পিতৃত্বের স্বীকৃতি দিয়ে আসামিকে এই দণ্ড দেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট নূরুল কবীর রুবেল ও বাদীপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মানবেন্দ্র বিকাশ উজ্জ্বল।


