পূর্ব সুন্দরবনের মৃগামারী খালে হরিণ ধরার ফাঁদসহ চার শিকারিকে আটক করেছেন বনরক্ষীরা। এ সময় নৌকাসহ আড়াই মণ কাকড়া ও নিষিদ্ধ চারু জব্দ করা হয়েছে।
শনিবার ভোরে এ উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। আটক শিকারিদের দুপুরে বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আটকরা হচ্ছেন, মোংলা উপজেলার দক্ষিণ চিলা গ্রামের একাধিক বন মামলার আসামি ফরিদ হাওলাদার (৩০), আতাউর খান (২৮), মোজাম জোমাদ্দার (২৯) ও রুহুল জোমাদ্দার (৩০)।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) দ্বীপন চন্দ্র দাস জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চাদপাই ফরেস্ট স্টেশন ও আন্ধারমানিক ইকোট্যুরিজম কেন্দ্রের বনরক্ষীরা যৌথভাবে সুন্দরবনের মৃগামারী খালে অভিযান চালায়। এ সময় নৌকাসহ চার হরিণ শিকারিকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
ঘটনাস্থলে নৌকায় তল্লাশি চালিয়ে ৩০০ ফুট হরিণ ধরার মালা ফাঁদ, সাতটি ঝুড়িতে রাখা আড়াই মণ কাকড়া ও কাকড়া ধরার ৫০টি নিষিদ্ধ চারুসহ অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করেন বনরক্ষীরা।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ বাগেরহাটের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করীম চৌধুরী বলেন, বর্তমানে সুন্দরবনে মাছ ধরায় তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শনিবার ভোরে মৃগামারীতে চারজন হরিণ শিকারি সুন্দরবনে অবৈধভাবে প্রবেশ করে হরিণ শিকারের অপচেষ্টা চালান এবং কাকড়া ধরেন।
তিনি জানান, আটক ফরিদ একজন কুখ্যাত হরিণ শিকারি। তার বিরুদ্ধে একাধিক বন মামলা চলমান রয়েছে। জেল থেকে জামিনে বের হয়ে তিনি আবার হরিণ শিকারে নেমে পড়েন। আটক চার শিকারির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তাদের দুপুরে বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হয়েছে।


