সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। নতুন করে আগামী ৫ নভেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য করেছে আদালত। এ নিয়ে আলোচিত এ হত্যা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১৩০ বার পেছাল।
বুধবার প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। হত্যাকাণ্ডের সময় তাদের সাড়ে চার বছরের ছেলে মাহির সরওয়ার মেঘ বাসায় ছিল।
পরে নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলায় রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুণ, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাসার দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের পরিচিত তানভীর রহমান খানকে আসামি করা হয়। তাদের মধ্যে তানভীর ও পলাশ জামিনে রয়েছেন। অন্যরা কারাগারে আটক রয়েছেন।
শুরুতে মামলাটি শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ তদন্ত করে। পরে তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর তদন্তের দায়িত্ব পায় র্যাব বা বর্তমান স্পেশাল রেসপন্স টিম (এসআরবি)।
এর মধ্যে, গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত এসআরবির কাছ থেকে সরিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে গঠিত উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সের মাধ্যমে করার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।
বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
পরবর্তীতে গত ২৩ অক্টোবর উচ্চ আদালতের নির্দেশে সরকার চার সদস্যের একটি টাস্কফোর্স গঠন করে। এতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধানকে আহ্বায়ক করা হয়।


