সরকারিভাবে এলপিজির দাম কমানোর ঘোষণা দেওয়া হলেও বগুড়া ও আশপাশের এলাকার বাজারে এখনো আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে ১২ কেজির সিলিন্ডার। ফলে সরকারি সিদ্ধান্তের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ ক্রেতারা।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর নতুন মূল্য নির্ধারণ করে। নতুন দামে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩৫৭ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫২৮ টাকা এবং প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম ১৬ টাকা ৫৩ পয়সা কমিয়ে ৭০ টাকা ৪০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।
তবে বগুড়া শহর ও ধুনট উপজেলার বিভিন্ন বাজার অটোগ্যাসের নতুন মূল্য কার্যকর হলেও অধিকাংশ দোকানে এলপিজি সিলিন্ডার এখনো আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতাদের দাবি, তাদের কাছে এখনো পুরোনো দামে কেনা সিলিন্ডারের মজুত রয়েছে। তাই সেই মজুত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নতুন দামে বিক্রি করা সম্ভব নয়।
বগুড়া শহরের এক বিক্রেতা বলেন, ‘আগের স্টকের মাল এখনো আছে। এগুলো পুরোনো দামে কেনা। তাই এখনই কম দামে বিক্রি করলে লোকসান হবে।’
ধুনট উপজেলার এক ব্যবসায়ীও একই ধরনের বক্তব্য দিয়ে বলেন, ‘পুরোনো চালানের সিলিন্ডার বিক্রি শেষ হওয়ার পরই নতুন দামে বিক্রি শুরু করা যাবে।’
এদিকে, সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। স্থানীয় বাসিন্দা মো. মাহমুদ বলেন, ‘দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হয়। কিন্তু দাম কমলে সিন্ডিকেটের কারণে তা বাজারে পৌঁছাতে অনেক সময় লাগে। প্রশাসনের কঠোর নজরদারি থাকলে এমন হতো না।’
আরেক ক্রেতা মো. অনেক বলেন, ‘শুধু দাম কমানোর ঘোষণা দিলেই হবে না, জেলা প্রশাসনকে নিয়মিত বাজার তদারকি ও অভিযান চালাতে হবে। তাহলেই ব্যবসায়ীরা সরকারি মূল্য বাস্তবায়নে বাধ্য হবে।’
স্থানীয়দের দাবি, এলপিজির নতুন মূল্য দ্রুত কার্যকর করতে জেলা প্রশাসনের বাজার মনিটরিং জোরদার এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।


