শ্যামল দত্ত-মোজাম্মেল বাবু-রুপার বিরুদ্ধে তদন্তে সময় বাড়ল

শ্যামল দত্ত-মোজাম্মেল বাবু-রুপার বিরুদ্ধে তদন্তে সময় বাড়ল
শ্যামল দত্ত (বাঁ থেকে), মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপা। ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দমনে উসকানি ও প্ররোচনার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় বাড়িয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আগামী বছরের ৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার ২৫ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন।

তিন সাংবাদিক হলেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল বাবু ও সাংবাদিক ফারজানা রুপা।

প্রসিকিউশন সূত্রের দাবি, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দমনে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে অপরাধে উসকানি দেওয়াও অপরাধ। তদন্ত সংস্থা তিন সাংবাদিকের অপরাধে সংশ্লিষ্টতার তথ্য পেয়েছে বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন। এ মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু শাপলা চত্বর-সংক্রান্ত গণহত্যার মামলায় ট্রাইব্যুনালের আদেশে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। শ্যামল দত্ত জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংক্রান্ত একটি মামলায় নিম্ন আদালতের আদেশে কারাগারে রয়েছেন।

আরও পড়ুন

প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম বলেন, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে কয়েকজন সাংবাদিক প্রশ্ন করার নামে অপরাধে উসকানি দিয়েছেন।

তার দাবি, ওই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে শেখ হাসিনা আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকার’, ‘রাজাকারের বাচ্চা’ ও ‘রাজাকারের নাতি-পুতি’ বলে আখ্যায়িত করেন।

তামিম বলেন, সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করা অপরাধ নয়। এটি সাংবাদিকদের দায়িত্ব। তবে ওই সময় কয়েকজন নির্দিষ্ট সাংবাদিক নিয়মিত তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হতেন। তাদের বক্তব্য প্রশ্নের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকত না।

তামিমের ভাষ্য, এসব বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করা হতো এবং তাকে দিয়ে নির্দিষ্ট কথা বলানোর উদ্দেশ্যে উসকানিমূলক প্রস্তাব দেওয়া হতো।

প্রসিকিউশনের দাবি, এসব বক্তব্য ও প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। এ অভিযোগের ভিত্তিতে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত চলছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad