লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় নির্বাচনী গণসংযোগকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালীন তিনটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার দুপুরে হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের কসাইটারী এলাকায় এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। ওই এলাকার আজিম উদ্দিনের বাড়িতে জামায়াতে ইসলামীর কয়েকজন নারী কর্মী গণসংযোগে যান। এ সময় বাড়ির আশপাশের লোকজন তাদের পরিচয় জানতে চাইলে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। খবর পেয়ে জামায়াত ও বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

এক পর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা কাজল, তার ছেলে এবং সাবেক শিবির নেতা নাজিরসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতরা হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। পরবর্তীতে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দার, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
এ বিষয়ে লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বলেন, ‘উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। আজকের এই সংঘর্ষের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করা হবে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচনী পরিবেশ নষ্টকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
এলাকাবাসীকে আইন হাতে তুলে না নিয়ে তিনি ধৈর্য ধরারও আহ্বান জানান।


