রাঙামাটির ওয়াগ্গা ইউনিয়নের কুকিমারা পাড়া বিজিবি ক্যাম্পের চেকপোস্টে একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আনুমানিক ১০০টি লোহার তৈরি দা।
রোববার বিকালে তল্লাশির সময় বাসের চালক ও হেলপারকে আটক করা হয়।
কাপ্তাই ৪১ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়েছে, কুকিমারা পাড়া বিজিবি ক্যাম্পের চেকপোস্টে বান্দরবন থেকে খাগড়াছড়িগামী যাত্রীবাহী বাস তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ লোহার তৈরি দা উদ্ধারসহ বাসের চালক ও হেলপারকে আটক করা হয়।
খাগড়াছড়ি ও গুইমারা এলাকায় চলমান ঘটনায় ব্যবহারের জন্য ইউপিডিএফ বান্দরবান হতে খাগড়াছড়ির উদ্দেশে এই রামদাগুলো নিয়ে যাচ্ছিল বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) এর মুখপাত্র অংগ্যা মারমা বলেন, ‘পাহাড়ে কারা সম্প্রীতি বিনষ্ট করা চেষ্টা করতে তা সকলেই জানে। ইউপিডিএফকে জড়িয়ে বিজিবির মনগড়া তথ্য প্রচার করা মানে বোঝা যায় পাহাড়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে চাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইউপিডিএফ কখনো সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা চায় না। পাহাড়ে যে সকল সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হচ্ছে তা নিরাপত্তা বাহিনীর ইন্ধনে হচ্ছে।’
এদিকে, খাগড়াছড়ি জেলা বেশ কিছুদিন ধরে অশান্ত। রোববার খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় এক স্কুলশিক্ষার্থী ধর্ষণের প্রতিবাদে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে পাহাড়ি ছাত্র-জনতার সংঘর্ষে অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সেনাসদস্যসহ আহত হয়েছেন অন্তত ১৩ জন।
এই তিনজন পাহাড়ি নিহতের ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলায় দুষ্কৃতকারীদের হামলায় তিনজন পাহাড়ি নিহত এবং মেজরসহ ১৩ জন সেনাসদস্য, গুইমারা থানার ওসিসহ তিন জন পুলিশ সদস্য এবং আরও অনেকে আহতের ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে গভীর দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।’


