ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে বিএনপির চারজন ও জামায়াত জোটের একজন প্রার্থী হাইকোর্টে আবেদন করেছেন। নতুন করা এই পাঁচ আবেদনও শুনানির জন্য গ্রহণ করে আসনগুলোর ব্যালটসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেয়।
বিএনপির চার প্রার্থী হলেন পাবনা-৩ আসনের মো. হাসান জাফির তুহিন, ঢাকা-৫ আসনের মো. নবী উল্লা, কুষ্টিয়া-৪ আসনের সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী ও গাইবান্ধা-৫ আসনের মো. ফারুক আলম সরকার।
এ ছাড়া ঢাকা-১৩ আসনের জামায়াত জোটের প্রার্থী এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকও আবেদন করেছেন।
নির্বাচনের পরে বিভিন্ন আসনে পরাজিত বেশ কয়েকজন প্রার্থী অনিয়মের অভিযোগ এনে এরই মধ্যে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন। শুনানির জন্য আবেদনগুলো গ্রহণ করে ওই সব আসনের ব্যালটসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট জারির ৪৫ দিনের মধ্যে নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে আবেদনের সুযোগ রয়েছে। সেই অনুযায়ী বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চে এসব আবেদনের শুনানি চলছে।
হাইকোর্ট বিভাগের কার্যতালিকায় এই বেঞ্চে এখতিয়ার প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, ২০০১ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) অধ্যাদেশ দ্বারা সংশোধিত ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ মোতাবেক নির্বাচনী আবেদনপত্র; যে সব বিষয় এই বেঞ্চে স্থানান্তরিত হবে এবং উপরোল্লিখিত বিষয়াদি সংক্রান্ত রুল, আবেদনপত্র গ্রহণ ও শুনানি করবেন।


