নারায়ণগঞ্জের বন্দরে বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে ছেলে ও স্ত্রীর পর মারা গেছেন গৃহকর্তা মাইদুল ইসলাম (২৪)।
মঙ্গলবার ভোরে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাইদুলের মৃত্যু হয়। এর আগে শনিবার মারা যায় তার ছেলে মারুফ (৮)। সোমবার মারা যান স্ত্রী বিউটি আক্তার (২২)।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ও সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান। তিনি জানান, বিস্ফোরণে শ্বাসনালী দগ্ধসহ ৮৫ শতাংশ দগ্ধ হয়ে ভর্তি ছিলেন মাইদুল। তার স্ত্রী ৯০ শতাংশ ও ছেলে ৮০ শতাংশ দগ্ধ হয়ে আগেই মারা গেছেন।
গত শুক্রবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে এ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে মাইদুল, তার স্ত্রী বিউটি ও ছেলে মারুফ দগ্ধ হন।
মারুফের মামা মো. রনি জানান, তারা বন্দরে পাশাপাশি বাসায় ভাড়া থাকেন। মাইদুল একটি টিনশেড বাসায় থাকতেন। সকালে ঘরের ভেতর সিগারেট ধরানোর পরপরই বিস্ফোরণ ঘটে। এতে পরিবারের তিনজন দগ্ধ হন। জমে থাকা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, বিউটির বাড়ি নাটোরের লালপুর উপজেলার ওমরপুর গ্রামে। মাইদুলের বাড়ি একই উপজেলার বরবাদকয়া গ্রামে। তিনি রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। মারুফ স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
এ ঘটনায় একে একে পরিবারের তিন সদস্যই মারা গেলেন।


