নেত্রকোনার পূর্বধলায় কালিরহর নদী থেকে ইট ও রশিতে বাঁধা নবজাতক কন্যাশিশুর মরদেহ উদ্ধারের রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। ১২ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের প্রমাণ লোপাটে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। মূল অভিযুক্ত সাজন মিয়াকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
২০২৩ সালের ২৯ জুন কালিরহর নদী থেকে প্লাস্টিকের রশিতে ইট বাঁধা অবস্থায় এক নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় পূর্বধলা থানার এসআই মো. ফারুক খান বাদী হয়ে মামলা করেন। পরে তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান পিপিএম ভিকটিম শিশুকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে মূল ঘটনা বেরিয়ে আসে।
পুলিশ জানায়, ভিকটিমের মা পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে দিনে বাড়ির বাইরে থাকতেন। এই সুযোগে প্রতিবেশী কৃষক সাজন মিয়া মাস সাতেক আগে ভিকটিমকে প্রথম ধর্ষণ করে। পরে ভয় দেখিয়ে নিয়মিত ধর্ষণের ফলে শিশুটি গর্ভবতী হয়ে পড়ে।
২৮ জুন রাতে শিশুটি একটি মৃত কন্যাসন্তান প্রসব করে। ভিকটিমের মা সাজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে ও ঘটনা চেপে যেতে ভয় দেখায়। পরে অপরাধ ঢাকতে সাজন মৃত নবজাতকের গায়ে কালো শার্ট পেঁচিয়ে, রশি ও ইট বেঁধে ভোরে নদীতে ফেলে দেয়।
ধৃত সাজন মিয়া প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধ স্বীকার করেছে। তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের পৃথক মামলা রুজুসহ আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।


