ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের সামর্থ্য ৯০ শতাংশ কমেছে, দাবি ট্রাম্পের
মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের সামর্থ্য ৯০ শতাংশে কমিয়ে আনা হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ট্রাম্প বলেন, ‘সংঘাতের শুরু থেকে আমরা ইরানজুড়ে ৭ হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছি। আর এগুলোর বেশিরভাগই ছিল বাণিজ্যিক ও সামরিক লক্ষ্যবস্তু। আমরা তাদের ব্যালিস্টিক মিসাইল উৎক্ষেপণ ৯০ শতাংশ এবং ড্রোন হামলা ৯৫ শতাংশ কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, সোমবারও মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের তিনটি মিসাইল ও ড্রোন তৈরির কারখানায় আঘাত হেনেছে।
সূত্র: রয়টার্স
হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত, তবে শত্রুদের জন্য বন্ধ: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
হরমুজ প্রণালী সবার জন্য উন্মুক্ত থাকলেও যারা ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালিয়েছে এবং তাদের মিত্রদের জন্য এটি বন্ধ থাকবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
তিনি বলেছেন, হরমুজ প্রণালী সাধারণ নৌ চলাচলের জন্য খোলা রয়েছে। তবে যারা ইরানের বিরুদ্ধে ‘কাপুরুষোচিত আগ্রাসন’ চালিয়েছে এবং তাদের মিত্রদের জন্য এই পথ বন্ধ থাকবে।
সূত্র: আল জাজিরা
মধ্যপ্রাচ্যের বিস্তৃত যুদ্ধে জড়াবে না যুক্তরাজ্য: স্টারমার
ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়া বিস্তৃত যুদ্ধে যুক্তরাজ্য জড়াবে না বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
কিয়ার স্টারমার বলেন, যুক্তরাজ্যের প্রধান অগ্রাধিকার হলো ওই অঞ্চলে অবস্থান করা ব্রিটিশ নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে অঞ্চলটিতে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার জন্য দ্রুত সমাধানের পথ খোঁজার চেষ্টা করা হবে।
এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাজ্যসহ মিত্রদেশগুলো এই অঞ্চলে সামরিক সহায়তা না দিলে সামরিক জোট ন্যাটোর ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
তবে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ব্রিটেন নিজেকে কোনো বৃহত্তর সংঘাতের মধ্যে টেনে নিতে দেবে না এবং কূটনৈতিক উপায়ে পরিস্থিতির সমাধানে কাজ করে যাবে।
সূত্র: আল জাজিরা
ট্রাম্পের ডাকে যুদ্ধে জড়াবে না জার্মানি
ইউরোপের দেশ জার্মানি ইরান যুদ্ধে জড়াবে না। বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি সামরিক শক্তি দিয়ে খোলা রাখার প্রক্রিয়ায়ও যুক্ত হবে না দেশটি। গ্রিস একই অবস্থানের কথা জানিয়েছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, তার আশা হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় ক্ষতির মুখে পড়া দেশগুলো গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ খোলা রাখতে যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে। সামরিক জোট ন্যাটোরও ভূমিকা প্রত্যাশা করেছেন তিনি।
ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার পর তেহরান ঘোষণা দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও তাদের মিত্রদের জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার চেষ্টা করলে হামলা চালানো হবে।
জার্মান সরকারের একজন মুখপাত্র সোমবার বলেছেন, ইরান যুদ্ধের সঙ্গে ন্যাটোর কোনো সম্পর্ক নেই। জার্মানি যুদ্ধ বা সামরিক উপায়ে হরমুজ প্রণালি খোলা রাখার কোনো চেষ্টায় যোগ দেবে না।
গ্রিসও হরমুজ প্রণালিতে কোনো সামরিক তৎপরতায় জড়াবে না বলে জানিয়েছেন গ্রিস সরকারের মুখপাত্র পাভলোস মারিনাকিস।
সূত্র: আল জাজিরা
ইরান যুদ্ধ চালিয়ে যেতে প্রস্তুত: আব্বাস আরাগচি
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে যতদূর প্রয়োজন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।
আরাগচি বলেন, তেহরান দেখিয়ে দিয়েছে তারা ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে প্রস্তুত–সেটা যত দূর প্রয়োজন হয়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি মনে করি এখন তারা (যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল) একটি ভালো শিক্ষা পেয়েছে এবং বুঝেছে, তারা কেমন জাতির বিরুদ্ধে লেগেছে। ইরানিরা এমন এক জাতি যারা আত্মরক্ষা করতে দ্বিধা করে না; যারা প্রস্তুত থাকে যেকোনো স্থানে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে যত দূর পর্যন্ত তা প্রয়োজন হয়।’
সূত্র: আল জাজিরা
যুদ্ধ শুরুর পর ৩৩৬৯ ইসরায়েলি আহত
যুদ্ধ শুরুর পর হামলায় ৩ হাজার ৩৬৯ ইসরায়েলে আহত হয়েছেন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আহত হয়েছেন ১৪২ জন।
সোমবার ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ কথা জানিয়েছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে কমপক্ষে ৩ হাজার ৩৬৯ জন বেসামরিক এবং সামরিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিহতের সংখ্যা উল্লেখ করেনি। তবে এর আগে জানানো হয়েছিল, হামলায় ১৫ জন ইসরায়েলি নিহত হয়েছেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা শুরু হয়। জবাবে ইসরায়েলে এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে পাল্টা হামলা শুরু করে ইরান। ইরানপন্থী সশস্ত্রগোষ্ঠী হিজবুল্লাহও ইসরায়েলে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা
ইরানের খোমেইন শহরের একটি স্কুলে হামলা
ইরানের খোমেইন শহরের একটি স্কুলে ভোরে হামলা চালানো হয়েছে। ইরানের সংবাদ সংস্থা ফারস জানিয়েছে, ‘ভোরে শহীদ খোমেইনি বয়েজ স্কুলকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। সংস্থাটির প্রকাশিত কয়েকটি ছবিতে দেখা যায়, স্কুল ভবনে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে।
পরে ইরানের মার্কাজি প্রদেশের এক উপ-গভর্নরের বরাতে সংবাদ সংস্থা মেহের জানায়, খোমেইন শহরে একটি স্কুলে হামলা হয়েছে, তাতে কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে স্কুলটির চারপাশের কিছু বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
হরমুজ প্রণালি খুলতে ন্যাটো মিত্রদের সহায়তা চাইলেন ট্রাম্প
ইরান অবরোধ দিয়ে রাখা গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি খুলতে সামরিক জোট ন্যাটোর মিত্রদের সহায়তা চাইলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে যাতে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রণালী খোলা রাখা যায়।
তিনি বলেন, ‘আমি এসব দেশকে বলছি যেন তারা এসে নিজেদের অঞ্চল রক্ষা করে, কারণ এটি তাদেরই এলাকা। এখান থেকেই তারা তাদের জ্বালানি পায়।’ তিনি যোগ করেন, ‘বলা যায়, হয়তো আমাদেরই সেখানে থাকার দরকার নেই, কারণ আমাদের নিজেদের প্রচুর তেল আছে।’
এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র সাতটি দেশের সঙ্গে কথা বলেছে, যাদের অনেকেই ন্যাটোর সদস্য। ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা সব সময় ন্যাটোর পাশে থাকি; ইউক্রেনের ব্যাপারেও আমরা তাদের সহায়তা করছি।’ এখন দেখার বিষয়, এই প্রণালী খোলা রাখতে ‘খুব ছোট একটি প্রচেষ্টায়’ কোনো দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে সাহায্য করবে কি না?
কোন কোন দেশ সহায়তা দিতে রাজি হয়েছে—এমন প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন, এ বিষয়ে এখনই বলা যাবে না। তবে যুক্তরাষ্ট্র কিছু ইতিবাচক সাড়া পেয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের নৌবাহিনী ধ্বংস করে দিয়েছে দাবি করে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘তারপরও মাত্র কয়েকজন মানুষ বা সন্ত্রাসীই এই প্রণালীতে ঝামেলা তৈরি করতে পারে। কয়েকটি মাইন ফেললেই তো পুরো পথ বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।’
এসময় তিন চীনের কথাও উল্লেখ করেন। ট্রাম্প বলেন, চীনের প্রায় ৯০ শতাংশ তেল সরবরাহ এই প্রণালী দিয়েই যায়। যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে তারা অংশ নেবে কি না—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘হয়তো, হয়তো হয়।’
ইসরায়েলে প্রথমবার ‘সেজ্জিল’ ক্ষেপণাস্ত্র চালাল ইরান

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র-সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে নিজেদের অন্যতম উন্নত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘সেজ্জিল’ নিক্ষেপ করেছে ইরান।
ইরানি সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরু হওয়ার পর প্রথমবারের মতো এই অস্ত্রটি ব্যবহার করা হলো।
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) রোব ঘোষণা করেছে, ‘ইয়া জাহরা’ অপারেশন কোডের অধীনে এই পাল্টা হামলা পরিচালিত হয়েছে।
অভিযানে বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে দুই ওয়ারহেডযুক্ত ভারী খোররামশাহর ক্ষেপণাস্ত্র, পাশাপাশি খেইবার, কাদর এবং এমাদ ক্ষেপণাস্ত্র।
২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে হামলা শুরু করার পর এই প্রথমবার কঠিন জ্বালানিচালিত সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এটি ইসরায়েলের কমান্ড সেন্টার ও গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে নিক্ষেপ করা হয়েছে।
আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ মুসাভি তার অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
হরমুজ প্রণালীতে এসকর্ট জাহাজ পাঠানোর পরিকল্পনা নেই: জাপান
হরমুজ প্রণালী দিয়ে কোনো জাহাজকে প্রহরা দেওয়ার পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে জাপান।
প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জাপানের সংসদকে জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলবাহী জাহাজগুলোকে প্রহরা (এসকর্ট) দেওয়ার জন্য নৌবাহিনীর জাহাজ পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা টোকিওর নেই।
তিনি বলেন, ‘এসকর্ট জাহাজ পাঠানোর বিষয়ে আমরা এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি। জাপান স্বাধীনভাবে কী করতে পারে এবং আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে কী করা সম্ভব—তা আমরা এখনও পর্যালোচনা করছি।’
বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়েই পরিবহন করা হয়। ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাত শুরুর পর ইরান কার্যত এই সরু প্রণালীতে অবরোধ আরোপ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মিত্র দেশগুলোর কাছে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ রক্ষায় সহায়তা আহ্বান জানিয়েছেন।
এমন সময়েই এ মন্তব্য করলেন তাকাইচি। চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের জন্য তার ওয়াশিংটন ডিসি সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে।
যা করা দরকার তা করতে প্রস্তুত নয় ইরান: ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তীব্রভাবে আলোচনায় বসতে চায় ইরান। তবে তাদের যা করা দরকার তা করতে তারা প্রস্তুত নয়।
আল জাজিরা জানিয়েছে এয়ার ফোর্স ওয়ানে বসে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ট্রাম্প।
তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, কখনো না কখনো তারা আলোচনায় বসবে। ইরান পরিস্থিতি নিয়ে আমরা খুব ভালোভাবেই এগোচ্ছি।’
অন্যদিকে ইরান বলছে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের মিত্র দেশগুলোর জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখা হয়েছে। অন্যদের জন্য এ পথ খোলা রয়েছে।
দুবাই বিমানবন্দরের পাশে আগুন, সাময়িক স্থগিত ফ্লাইট

দুবাই বিমানবন্দরের পাশে আগুন দেখা দেওয়ায় সেখান থেকে সব ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে।
যদিও দুবাই মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, শহরের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে একটি জ্বালানি ট্যাংকে আঘাতের ফলে লাগা আগুন সিভিল ডিফেন্স টিম সফলভাবে নিয়ন্ত্রণে এনেছে।
এ ঘটনায় কোনো আহতের খবর পাওয়া যায়নি বলেও জানিয়েছে তারা।
তবে বিমানবন্দরের যাত্রী ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সাময়িকভাবে সব ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দুবাই সিভিল এভিয়েশন অথরিটি।
আগুনের পরে বিমানবন্দর রোড এবং টানেলও সাময়িকভাবে বন্ধ করে রেছে দুবাই পুলিশ। জরুরি প্রয়োজনে চালকদের বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা


