যুক্তরাষ্ট্রের ডানপন্থী অ্যাক্টিভিস্ট চার্লি কার্ককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।
সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, ৩১ বছর বয়সী কার্ক উটাহ ভ্যালি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বক্তৃতা করার সময় হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। এসময় দূর থেকে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়।
তিনি দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রভাবশালী মিত্র ছিলেন। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে কার্কের মৃত্যুর কথা জানান ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কার্ক। ট্রাম্প যখন রিপাবলিকান পার্টি পুনর্গঠন করছিলেন তখন দলের নতুন ‘কনজারেভেটিভ’ চরিত্রকে সামাজিক মিডিয়ায় তুলে ধরেছিলেন কার্ক। তরুণদের ভোট একত্রিত করার জন্যও কার্ককে কৃতিত্ব দেন ট্রাম্প।
এক্স পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘চার্লির থেকে ভালো আর কেউ যুক্তরাষ্ট্রের তরুণ সমাজকে বুঝতে অথবা তাদের মন জয় করতে পারেনি। সবাই তাকে ভালোবেসেছে ও প্রশংসা করেছে, বিশেষ করে আমি, এখন আর সে আমাদের মাঝে নেই।’
এর আগে গত বছরের এপ্রিলে পেনসিলভানিয়ার র্যালিতে ট্রাম্পের ওপর হামলা চালায় এক বন্ধুকধারী। এরপর বুধবার কার্কের এমন মৃত্যু রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ নাড়া দিয়ে গেছে। রাজনৈতিক সহিংসতা অবসানের আহ্বান জানিয়েছেন রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেট নেতারা।
স্বেচ্ছায় পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়া কার্ক কলেজ ছাত্র ও যুব ভোটারদের জন্য অনুকরণীয় ছিলেন। শুধু ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সহায়তা করেই নয়, বরং নতুন একটি কনজারভেটিভ কর্মী আন্দোলন গড়ে তুলতেও তার ভূমিকা ছিল অনেক।
২০১২ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন কার্ক। কার্ক প্রায়ই বিভিন্ন কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়ে বক্তৃতা দিতেন ও দর্শকদের প্রশ্নের উত্তর দিতেন। এরপর সেগুলো পরিণত হতো ভাইরাল ভিডিওতে।


