৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবসকে কেন্দ্র করে সিরাজগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে জেলা পুলিশ। গত সাত দিন ধরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
একই সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নামে কোনো ধরনের সভা-সমাবেশ বা মিছিল করে কেউ যেন পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের মহিষামুড়া বাজার এলাকায় জেলা পুলিশের বিশেষ টহল ও তল্লাশি কার্যক্রম দেখা যায়। এ সময় সন্দেহভাজন যানবাহন ও বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালানো হয়।
পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও রাতভর বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান নিয়ে পাহারা ও নজরদারি করেন। যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে তারা সতর্ক অবস্থানে ছিলেন।
সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সদর সার্কেলের কর্মকর্তা মো. নাজরান রউফ বলেন, ৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবসকে কেন্দ্র করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ যাতে কোনো ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে জন্য বিশেষ টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। জেলার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
জেলা পুলিশ জানিয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষ নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
এটি ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বাংলাদেশের জাতীয় চার নেতার হত্যাকাণ্ড স্মরণে দিনটি পালন করা হয়। চার নেতা হলেন মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ক্যাপ্টেন মুহাম্মদ মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামান।


