চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে পারিবারিক কলহের জেরে ছেলের লাঠির আঘাতে জাফর আহমেদ নামে এক ব্যক্তি মারা গেছেন। এ ঘটনায় নিহতের প্রবাসী ছেলে শওকত ও মেয়ের বিরুদ্ধে বাবাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার কালিপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নিদাগাজী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে জাফরের মৃত্যু হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক বিষয় নিয়ে জাফরের সঙ্গে তার স্ত্রীর কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পরিবারের অন্য সদস্যরা সেখানে উপস্থিত হলে উত্তেজনা বাড়ে।
অভিযোগ রয়েছে, এ সময় জাফরের প্রবাসী ছেলে শওকত গাছের বাটাং (ভারী লাঠি) দিয়ে বাবার মাথায় সজোরে আঘাত করেন। এতে জাফর গুরুতর আহত হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে যান।
পুলিশ জানায়, ছেলে-মেয়ে মিলে মারধর করে আহত করার পর তারাই জাফরকে চমেক হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ২টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাঁশখালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুধাংশু শেখর হাওলাদার বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে পারিবারিক কলহের জেরে মারধরের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। রাত ১১টার দিকে ছেলে ও মেয়ে মিলে বাবাকে মারধর করেন। পরে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।’
তিনি জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। মামলা হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


