চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে জাল ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন উপাচার্য ইয়াহহিয়া আখতার।
বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় আইটি ভবনের ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
উপাচার্য বলেন, ‘প্রিসাইডিং অফিসারের হাতে ছবি সম্বলিত ভোটার তালিকা রয়েছে। তারা মিলিয়ে দেখছেন। তাই জাল ভোট দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’
কামাল উদ্দিন বলেন, ‘মঙ্গলবার থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের অভিযোগ পাইনি। শিক্ষার্থীরা সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নে ভোট দিচ্ছে।’

নির্বাচন কমিশন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবার স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে নেওয়া হচ্ছে চাকসু নির্বাচনের ভোট। ব্যালট পেপারে থাকবে নিরাপত্তা কোড, যা ভুয়া ব্যালট ঠেকাতে কাজে দেবে। ব্যালটে প্রার্থীদের নাম ও ব্যালট নম্বর থাকবে; একই নামের ক্ষেত্রে থাকবে ডাকনাম।
৩৫ বছর পর সপ্তম চাকসু ভোটের আমেজে মেতে উঠেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। বুধবার সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়, বিরতিহীনভাবে চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। এসময়ে শিক্ষার্থীরা বেছে নেবেন তাদের পছন্দের প্রার্থীকে।
ভোটকেন্দ্রগুলোতে সকাল থেকেই শিক্ষার্থী ও প্রার্থীদের সরব উপস্থিতি দেখা গেছে। স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিচ্ছেন নারী শিক্ষার্থীরাও।

এবার চাকসুর নির্বাচনে ভোটার ২৭ হাজার ৫১৬ জন। যাতে ভিপি-জিএসসহ কেন্দ্রীয় সংসদে পদ ২৬টি। ১৫ হল ও হোস্টেল সংসদে পদ ১৪টি করে। যার বিপরীতে প্রার্থী ৯০৮ জন। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদে ১৩টি প্যানেল ও স্বতন্ত্র মিলে প্রার্থী ৪১৫। ৫টি অনুষদ ভবনে ১৫ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে ৬০টি কক্ষে।
চাকসু নির্বাচনে মোট ১৩টি আংশিক ও পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করা হয়েছে।


