কানাডায় চলতি বছরে ইমিগ্রেশন সংকট দেখা দিয়েছে। দেশটির বর্তমান স্থায়ী বাসিন্দা বা পার্মানেন্ট রেসিডেন্স গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় বিদেশি কর্মী, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও অন্যান্য অস্থায়ী বাসিন্দার সংখ্যা অনেক বেশি। এর ফলে কানাডায় প্রায় ২ দশমিক ৯ মিলিয়ন মানুষের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত। এর মধ্যে কানাডায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীরাও রয়েছেন।
চলতি বছরে দেশটি মাত্র তিন লাখ ৮০ হাজার স্থায়ী বাসিন্দা বা পার্মানেন্ট রেসিডেন্স এর আসন রেখেছে। ফলে চলতি বছরে ১০ লাখেরও বেশি মানুষের কানাডায় থাকার বৈধ পথ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন (পিজিডব্লিউপি) পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ওয়ার্ক পারমিটে থাকা মানুষ এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা, যারা এরই মধ্যে কানাডার স্বাস্থ্যসেবা, নির্মাণ ও খাদ্য শিল্পে বছরের পর বছর কাজ করে দেশটির অর্থনীতিতে অবদান রেখেছেন।
দেশটির মোট টেম্পোরারি রেসিডেন্টের প্রায় ৫০ শতাংশ সাউথ এশিয়ানও এর মধ্যে রয়েছেন। শুধু তাই নয়,
বাংলাদেশ থেকে আসা শিক্ষার্থী ও কর্মীরাও এই সংকটের বাইরে নন।
ওয়ার্ক পারমিট পাওয়া মানুষদের বিনা স্টাডি পারমিটে পড়াশোনার বিশেষ সুযোগ এ বছরের ২৭ জুন শেষ হতে চলেছে। ইতোমধ্যে অনেকেই এ কারণে দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছেন।
দেশটির প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই দেশটির অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অর্থনীতির চাকাকে শক্তিশালী করতে একের পর এক পরিকল্পনা গ্রহণ করে চলেছেন। তবে আশার কথা, দেশটির অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপরও অনেকের ভাগ্য নির্ধারিত হবে।
অন্যদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকারের এটি একটি পরিকল্পিত নীতি, যার উদ্দেশ্য টেম্পোরারি বাসিন্দাদের দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য করা।


