নোয়াখালীর হাতিয়ায় মেঘনা নদীতে চর দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের পর থেকে নিখোঁজ শামছু বাহিনীর প্রধান শামছু উদ্দিন ওরফে কোপা শামছুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এতে ওই সংঘর্ষে মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ছয়জনে।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মরদেহ উদ্ধারের কথা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘নিখোঁজ শামছুর মরদেহ বনের ভেতর পড়ে থাকার খবর পেয়ে আমরা তা উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছি।’
গত মঙ্গলবার সকালে ‘জাগলার চরের’ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে শামছু গ্রুপ ও আলাউদ্দিন গ্রুপের মধ্যে দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ভয়াবহ সংঘর্ষ ও গোলাগুলি হয়। এ সময় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
ঘটনাস্থলেই আলাউদ্দিনসহ পাঁচজন নিহত হন, আহত হন আরও অনেকে। তার পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন শামছু বাহিনীর প্রধান। ঘটনার দুই দিন পর বনের ভেতর তার মরদেহের সন্ধান মেলে।
নিহত শামছু উদ্দিন উপজেলার জাহাজমারা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিলেন। নিহতের ভাই আবুল বাশার বাদী হয়ে হাতিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ৩০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।


