গুলশান-বনানী-বারিধারা লেকের পরিবেশ রক্ষা এবং সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার বিকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক সভায় প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, গুলশান, বনানী ও বারিধারা লেকের পরিবেশ সুরক্ষা, পানি দূষণ রোধ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অবস্থা জানতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠক করেছেন। কীভাবে এই লেকের পরিবেশ সুরক্ষা করা যায়, কীভাবে লেকের পানি দূষণ মুক্ত রাখা যায় এবং একটা সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।
লেক সংশ্লিষ্ট এলাকার ভবনগুলোর বর্জ্য অপসারণ, পানি দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, সিটি করপোরেশন ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে গুলশান–বনানী–বারিধারা–নিকেতন এলাকার ভবনগুলোর পয়ঃনিষ্কাশন সংযোগ ব্যবস্থা যাচাই এবং লেকের পানি দূষণমুক্ত রাখা, গুলশান৷ বনানী ও বারিধারা এলাকার বর্জ্য অপসারণ ব্যবস্থা এবং লেকের সঙ্গে সংযুক্ত খালগুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখা এবং পরিবেশ রক্ষার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং এসব বিষয়ে কার্যক্রমের সর্বশেষ অবস্থা তুলে ধরা হয়।
একই সঙ্গে গুলশান–বনানী–বারিধারা-নিকেতন এলাকার পরিবেশ রক্ষায় স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট (এসটিপি) স্থাপনের বিষয়টিও আলোচনা হয়।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা লেকের বর্তমান অবস্থার উন্নয়নে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়ার কথাও প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।
কড়াইল বস্তির বর্জ্য যাতে সরাসরি লেকে না পড়ে, সে জন্য কী কর্মপরিকল্পনা হাতে নেওয়া যায় সে বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানান উপ-প্রেস সচিব।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিলটন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


