কিশোরগঞ্জের হাওর এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাসের প্রণোদনার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন। বৃহস্পতিবার দুপুরে হাওর অঞ্চলের ফসলি জমি পরিদর্শন শেষে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুতের নির্দেশ দিয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেন।
মিঠামইন উপজেলার ঢাকী ইউনিয়নের শান্তিপুর গ্রামের ফসলি জমি পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক জানান, এ বছর হাওরে এক লাখ চার হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করা হয়েছিল। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত কেবল ৫১ শতাংশ ফসল কাটা সম্ভব হয়েছে। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে অবশিষ্ট ফসলের একটি বড় অংশ পানির নিচে তলিয়ে গেছে।
তিনি বলেন, ‘আবহাওয়া কিছুটা অনুকূলে থাকায় কৃষকরা হারভেস্টার মেশিন ও শ্রমিক ব্যবহার করে দ্রুত ফসল কাটার চেষ্টা করছেন।’
সোহানা নাসরিন জানান, সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নেতারা স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে কৃষকদের সহায়তা করছেন, যাতে দ্রুত এই সংকট মোকাবিলা করা যায়।
তিনি বলেন, ‘যেসব কৃষক এখনো ফসল ঘরে তুলতে পারেনি, তাদের জন্য সরকার বিশেষ সহায়তা পরিকল্পনা নিয়েছে, যেন আগামী তিন মাস তাদের কোনো কষ্ট না হয়। এরইমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রণয়নের কাজ শুরু হয়েছে।’
এ সময় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. সাদিকুর রহমান, মিঠামইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ বিন শফিক, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা উবায়দুল ইসলাম খান অপুসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।


