আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত কিছু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংস্কার করা হবে। এ লক্ষ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সকল জেলা শিক্ষা অফিসারদের চাহিদার ব্যাপারে জানতে চেয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছে।
অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মিরাজুল ইসলাম উকিলের সই করা চিঠিতে মঙ্গলবার এ তথ্য জানানো হয়।
চলতি অর্থবছরের রাজস্ব খাতের পরিচালন বাজেটের আওতায় এই কার্যক্রমের জন্য আর্থিক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০১৩ সালের ২০ মে জারি করা পরিপত্রের ক্ষুদ্র মেরামত সংক্রান্ত নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত ছকের মাধ্যমে জেলার সকল উপজেলা বা থানা শিক্ষা অফিস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তা একত্রিত করতে হবে। এরপর সেগুলোর হার্ডকপি (মূলকপি) এবং সফট কপি ১০ আগস্টের মধ্যে ([email protected], [email protected]) এই মেইলে পরিচালককে পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এদিকে, যেসব বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র হিসেবে নির্ধারিত হলেও বর্তমানে মেরামত বা সংস্কারের প্রয়োজন নেই, সেগুলোর চাহিদা পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়নি।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রায় ৪৪ হাজার এবং একাদশ সংসদ নির্বাচনে ৪০ হাজারেরও বেশি ভোটকেন্দ্র ছিল। ভোটকক্ষের সংখ্যা ছিল ২ লাখের বেশি। দশম সংসদ নির্বাচনে ৩৭ হাজার ৭০৭টি কেন্দ্র এবং ১ লাখ ৮৯ হাজার ৭৮টি ভোটকক্ষ ছিল। নবম সংসদ নির্বাচনে আরও কম, ৩৫ হাজার ২৬৩টি কেন্দ্র এবং ১ লাখ ৭৭ হাজার ২৭৭টি ভোটকক্ষ ছিল।


