এবার যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ২ লাখ ২০ হাজার টন গম কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। জিটুজি বা সরকার টু সরকার চুক্তির মাধ্যমে এই আমদানি হবে।
গম কেনায় মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৪২ কোটি ৬ লাখ ৩৩ হাজার ১০০ টাকা, যেখানে প্রতি টনের মূল্য দাঁড়াচ্ছে ৩১২ দশমিক ২৫ ডলার।
মঙ্গলবার ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন পায়। সিঙ্গাপুর থেকে ভার্চ্যুয়ালি যোগ দেন অর্থ উপদেষ্টা।
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন বাংলাদেশের পণ্যের ওপর ৩৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করে। সেই চাপ মোকাবিলার অংশ হিসেবে চলতি বছরের জুলাই মাসে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বছরে সাত লাখ টন গম আমদানির জন্য একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় ইতোমধ্যে তিন চালানে মোট ১ লাখ ৭৮ হাজার ৬৩৬ টন গম দেশে এসেছে।
সর্বশেষ ১৬ নভেম্বর ৬০ হাজার ৮৭৫ টন গমবাহী জাহাজ মোংলা বন্দরে পৌঁছায়।
এর আগে, ৩ নভেম্বর দ্বিতীয় চালানে ৬০ হাজার ৮০২ টন এবং ২৫ অক্টোবর প্রথম চালানে ৫৬ হাজার ৯৫৯ টন গম আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে।
এদিনের বৈঠকে আরও বেশ কিছু পণ্য আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে তৃতীয় লটে ৪০ হাজার টন দানাদার ইউরিয়া সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়।
স্থানীয় উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ৫০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল এবং ১ কোটি লিটার পরিশোধিত রাইস ব্র্যান তেল কেনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এ ছাড়া, মরক্কো থেকে ৪০ হাজার টন ডিএপি সার আমদানিরও সুপারিশ করা হয়।
এর বাইরে রহমতপুর-বাবুগঞ্জ-মুলাদি-হিজলা মহাসড়কে আড়িয়াল খাঁ নদীর ওপরে মীরগঞ্জ সেতু নির্মাণ কাজের ক্রয় প্রস্তাব বৈঠকে অনুমোদন করা হয়েছে।


