একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যু দেশের শিল্প ও সংস্কৃতি অঙ্গনে এক বিরাট শূন্যতা সৃষ্টি করেছে, যা সহজে পূরণ করা সম্ভব নয়। জাতি তার অবদানকে সবসময় গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। একইসঙ্গে তার কাজ ও আদর্শ আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।
মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার সকালে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মুস্তাফা মনোয়ার। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। নিউমোনিয়াজনিত জটিলতা নিয়ে গত ১৪ জুন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি।
বাংলাদেশে পাপেটশিল্পকে জনপ্রিয় করে তোলা এবং টেলিভিশন অনুষ্ঠান নির্মাণে নতুন ধারা প্রবর্তনের অন্যতম রূপকার মুস্তাফা মনোয়ার চিরকাল মানুষের অন্তরে বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। বাংলাদেশ টেলিভিশনে তার সৃষ্ট জনপ্রিয় পাপেট চরিত্র ‘পারুল’ সুস্থ সমাজ ও সামাজিক সচেতনতার প্রতীক হয়ে উঠেছিল একসময়।
১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার নাকোলে জন্মগ্রহণ করেন মুস্তাফা মনোয়ার। তার পৈতৃক বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে। তিনি প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার ও জমিলা খাতুন দম্পতির ছয় সন্তানের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ।
শিল্প ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০০৪ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন।