মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিক আন্দোলনের সময় পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর, পুলিশ বক্সে আগুন ও অন্যান্য ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় গাজীপুরে তিনটি মামলা করেছে পুলিশ। সোমবার কোনাবাড়ী, বাসন ও কালিয়াকৈর থানায় মামলাগুলো করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, তিন মামলায় প্রায় তিন হাজার ৬০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এসব মামলায় এখন পর্যন্ত ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গাজীপুর শিল্পাঞ্চল পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালেও মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ করেন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর ও চন্দ্রা পল্লীবিদ্যুৎ এলাকা এবং গাজীপুর মহানগরের ভোগড়া বাইপাস, নাওজোড়, কোনাবাড়ী ও সালনা এলাকায় এ বিক্ষোভ হয়। এ সময় দুর্বৃত্তরা বিভিন্ন স্থানে গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করেন। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় এক বিজিবি সদস্য এবং এক পুলিশসহ কিছু সাংবাদিক ও পথচারীরা আহত হন। এদিন শ্রমিকরা কয়েকটি স্থানে মহাসড়ক অবরোধ করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে তারা কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুঁড়ে আন্দোলনকারীদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেন। কোথাও আন্দোলন শুরুর আধাঘণ্টা পর, আবার কোথাও এক থেকে দুই ঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
গাজীপুর শিল্পাঞ্চলের পুলিশ সুপার মো. আমজাদ হোসাইন তিন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এসব মামলায় ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুল ইসলাম বলেন, তারা অভিযান চালিয়ে হামলা-ভাঙচুরে জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে।


