অস্থিরতার মধ্যেই লাফিয়ে বাড়ল এলপিজির দাম

অস্থিরতার মধ্যেই লাফিয়ে বাড়ল এলপিজির দাম
ছবি: শামীম-উস-সালেহীন
Advertisement
Advertisement

বাজারে সরবরাহ সংকট ও নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগের মধ্যেই আবারও বাড়ানো হয়েছে এলপিজি’র দাম। ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ৬০ টাকা করা হয়েছে।

একই সঙ্গে যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটার ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ৯১ টাকা ৯৫ পয়সা।

সোমবার সন্ধ্যায় এলপিজির এ দাম বৃদ্ধির বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সংস্থাটি জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি আমদানিকারক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন বাড়ানোর কারণে নতুন করে এই দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

নতুন মূল্য সমন্বয়ের অংশ হিসেবে সরবরাহ ব্যবস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের কমিশনও বাড়ানো হয়েছে। আমদানিকারকদের মজুতকরণ ও বোতলজাতকরণ চার্জ ১২ কেজি সিলিন্ডারে ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৮১ টাকা ৭৬ পয়সা করা হয়েছে। এছাড়া ডিলারদের চার্জ ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮৫ টাকা এবং খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন ৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

এর আগে গত মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হলেও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তা ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়। সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু হওয়া অস্থিরতার সময় কোথাও কোথাও একই সিলিন্ডারের দাম ওঠেছিল আড়াই হাজার টাকা।

সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার কথা উল্লেখ করে আমদানিকারকদের বিরুদ্ধে সরবরাহ কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। রাষ্ট্রীয় একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি টন এলপিজির দাম ৬৪ ডলার বেড়ে যাওয়ার পর পাঁচটি কোম্পানি ২২ সেপ্টেম্বর থেকে বিক্রি প্রায় বন্ধ করে দেয়। নতুন দামে বিক্রির জন্য তারা হাজার হাজার টন এলপিজি মজুত করে রাখে।

সর্বশেষ ২৯ অক্টোবরের গণশুনানিতে ভোক্তারা নির্ধারিত দামে এলপিজি না পাওয়া এবং বাজার নিয়ন্ত্রণে বিইআরসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতারাও সরবরাহ পরিস্থিতির জন্য আমদানিকারকদের দায়ী করেন।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad