হরমুজ প্রণালীতে নৌযান চলাচলে করিডর চালু করেছে ইরান

হরমুজ প্রণালীতে নৌযান চলাচলে করিডর চালু করেছে ইরান
Advertisement
Advertisement

[live_update time=”রাত ১০.০৩” title=”হরমুজ প্রণালীতে নৌযান চলাচলে করিডর চালু করেছে ইরান”]

হরমুজ প্রণালীতে নৌযান চলাচলে করিডর চালু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান।

প্রণালীর কাছ থেকে আল জাজিরার সংবাদদাতা ইনজামাম রশিদ জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালীর প্রবেশমুখে শতাধিক জাহাজ নোঙর করে আছে। ইরানের হামলার আশঙ্কায় এসব জাহাজকে সামনে অগ্রসর হতে দেওয়া হচ্ছে না।

তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল রাতভর ইরানের উপকূলের কাছে অভিযান চালিয়ে প্রণালীটি নিরাপদ করার চেষ্টা করেছে। এর মধ্যেই ইরান দাবি করেছে যে তারা প্রণালীর ভেতর দিয়ে একটি অনুমোদিত শিপিং করিডর চালু করেছে।

ইনজামাম বলেন, ‘ইরান জানিয়েছে, তারা নির্দিষ্ট কিছু জাহাজকে তাদের উপকূল বরাবর পানিতে চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে। তবে এর জন্য আগে থেকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) অনুমোদন নিতে হবে।’

তার মতে, তথ্য অনুযায়ী অন্তত নয়টি জাহাজ এই রুট দিয়ে পার হয়েছে, আইআরজিসি জাহাজগুলোর যাচাই-বাছাই করছে।

[/live_update]

[live_update time=”রাত ৮.৪৭” title=”ন্যাটো জোটের সদস্যরা ‘কাপুরুষ’: ট্রাম্প”]

ইরান যুদ্ধে সহায়তা না করায় ন্যাটো সামরিক জোটের সদস্য দেশগুলোর প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইরান যুদ্ধ বা হরমুজ প্রণালী নিরাপদ করতে বাহিনী মোতায়েন না করায় তারা ‘কাপুরুষ’।

নিজের ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া ন্যাটো একটি কাগুজে বাঘ! তারা পারমাণবিক শক্তিধর ইরানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যোগ দিতে চায়নি।’

তিনি যোগ করেন, ‘তারা বাড়তি তেলের দাম নিয়ে অভিযোগ করছে, কিন্তু হরমুজ প্রণালী খুলতে সাহায্য করতে চায় না। এই প্রণালী খোলা একটি সহজ সামরিক পদক্ষেপ, তাছাড়া তেলের বাড়তি দামের এটিই কারণ।’

তিনি আরও বলেন, ‘খুবই সহজে কম ঝুঁকিতেই এটা করা তাদের পক্ষে সম্ভব ছিল। কাপুরুষ সব। আমরা এসব মনে রাখব!’

[/live_update]

[live_update time=”বিকাল ৬.৩৪” title=”যুক্তরাষ্ট্রে অস্ত্র রপ্তানি স্থগিত করেছে সুইজারল্যান্ড”]

চলমান ইরান যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে অস্ত্র রপ্তানি স্থগিত করেছে সুইজারল্যান্ড। চলমান ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্র বনাম ইরান সংঘাতের মধ্যে নিজেদের নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখতেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে সরকার জানায়, ‘ইরানের সঙ্গে চলমান আন্তর্জাতিক সশস্ত্র সংঘাতে জড়িত দেশগুলোর কাছে যুদ্ধাস্ত্র রপ্তানি সংঘাত চলাকালে অনুমোদন দেওয়া যাবে না।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে যুদ্ধাস্ত্র রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া সম্ভব নয়।’

[/live_update]

[live_update time=”বিকাল ৬.০৪” title=”নিষেধাজ্ঞা তুললে ইরানি তেল এশিয়ায় যাবে ৩-৪ দিনে: যুক্তরাষ্ট্র”]

সমুদ্রে আটকে থাকা ইরানি তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে দিলে ৩–৪ দিনের মধ্যেই এশিয়ায় তেল সরবরাহ শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট।

এর আগে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বৃহস্পতিবার বলেছিলেন, তেলের দাম বাড়তে থাকায় এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে যুক্তরাষ্ট্র শিগগিরই সমুদ্রে ট্যাংকারে আটকে থাকা ইরানি তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে পারে।

ফক্স বিজনেস নেটওয়ার্ককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাইট বলেন, ‘কয়েক দিনের মধ্যেই—তিন বা চার দিনের মধ্যে—ওই তেল বন্দরগুলোয় পৌঁছাতে শুরু করবে।’

[/live_update]

[live_update time=”বেলা ৩.৫২” title=”মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধ ও বাস্তুচ্যুতিতে ম্লান ঈদের আনন্দ”]

মধ্যপ্রাচ্যে শুক্রবার পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন। রমজান মাসের সিয়াম সাধনার পর এই ইসলামী উৎসব সাধারণত আনন্দ, মিলন, নবায়ন ও দানের সময়। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান যুদ্ধের কারণে এবার ঈদের আনন্দে নেমে এসেছে এক গভীর অন্ধকার ছায়া।

অর্থনৈতিক সংকট ও যুদ্ধের কারণে ইরান, গাজা ও লেবাননে ঐতিহ্যবাহী ঈদ উদযাপন ম্লান হয়ে পড়েছে।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়, বৈরুতের ডাউনটাউন জলসীমা এলাকায় আলা নামের এক ব্যক্তি আশ্রয়ের খোঁজে ঘুরছেন। তিনি সিরীয় শরণার্থী, মূলত দখলকৃত গোলান মালভূমির বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি গৃহহীন। পুরো দিন লেবাননের রাজধানীতে ঘুরে বেড়িয়ে কোথাও থাকার জায়গা খুঁজে পাননি।

তিনি আগে বৈরুতের দক্ষিণ উপশহর দাহিয়েতে থাকতেন, যেখানে ইসরায়েলি হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং লেবাননে এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এখন তার একমাত্র চিন্তা নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে পাওয়া। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার শুরু হওয়া মুসলিমদের উৎসব ঈদুল ফিতর তার চিন্তার বাইরে।

ঈদের কোনো পরিকল্পনা আছে কি না জানতে চাইলে তিনি ‘না’ বলেন। বরং একটি তাঁবু পাওয়াই এখন তার প্রধান লক্ষ্য।
আলা বলেন, ‘আমি একটি স্কুলে থাকার অনুমতি পাইনি, এরপর কর্নিশে গিয়ে রাত কাটিয়েছি। পরে সিটি করপোরেশনের লোকজন আমাকে ডাউনটাউন বৈরুতে আসতে বলে।’

এখনো তিনি কোনো তাঁবু পাননি এবং খোলা আকাশের নিচেই রাত কাটাচ্ছেন। তবে আশপাশের অনেকেই তাঁবু জোগাড় করে নিয়েছেন, ফলে ব্যয়বহুল রেস্টুরেন্ট ও বারের জন্য পরিচিত এই এলাকা এখন অনেকটা তাঁবু নগরীতে পরিণত হয়েছে।

লেবাননজুড়ে এক মিলিয়নের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। দেশটির মানুষ এখনো জানে না এই যুদ্ধ কবে শেষ হবে, বিশেষ করে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের ক্ষত কাটিয়ে ওঠার আগেই নতুন সংকট শুরু হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে উৎসব উদযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে—যা বর্তমান সংঘাতে আক্রান্ত প্রায় সব দেশের সাধারণ চিত্র।
ইরানে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার তৃতীয় সপ্তাহে, যুদ্ধের পাশাপাশি আগে থেকেই চলা অর্থনৈতিক সংকটের কারণে মানুষ ঈদের সময় প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতেও হিমশিম খাচ্ছে। এ ছাড়া তেহরানের গ্র্যান্ড বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে বোমা হামলার ঝুঁকি থাকায় কেনাকাটাও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

[/live_update]

[live_update time=”বেলা ৩.৩১” title=”‘গ্যাসক্ষেত্রে হামলায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কৌশলগত বিভক্তি স্পষ্ট’”]

সম্প্রতি ইসরায়েল ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে হামলা চালায়। যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে কৌশলগত মতপার্থক্য প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছেন এক বিশেষজ্ঞ।

আরও পড়ুন

আরব পার্সপেক্টিভস ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক জেইডন আলকিনানি আল জাজিরাকে বলেন, এই হামলার পর ওয়াশিংটন ও তেলআবিবের মধ্যে লক্ষ্য ও কৌশল নিয়ে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে এর প্রভাব আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও পড়ছে।

তিনি বলেন, যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসন যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ অনুযায়ী সীমিত মাত্রার শাসন পরিবর্তন চায়, সেখানে ইসরায়েল এই সংঘাতকে ব্যবহার করছে ইরানের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল করতে এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে।

তিনি আরও বলেন, ইসরায়েল জানে যে পাল্টা হামলা হলে তা সরাসরি তাদের ওপর না এসে বরং উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে।

আলকিনানি সতর্ক করে বলেন, ‘এটি শুধু আঞ্চলিক অর্থনীতি, অবকাঠামো বা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি নয়, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্যও সরাসরি হুমকি।’

[/live_update]

[live_update time=”বেলা ৩.১২” title=”ইসলামী বিপ্লবী গার্ডের মুখপাত্র জেনারেল নায়িনি নিহত”]

ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) মুখপাত্র জেনারেল আলী মোহাম্মদ নায়িনি ইসরায়েল ও ‍যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার আইআরজিসি তার নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তাসনিম নিউজ এজেন্সিসহ ইরানের একাধিক সংবাদমাধ্যম তার নিহত হওয়ার বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে।

তাসনিম নিউজ এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার ভোরে ইসরায়েলি-যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নায়িনি নিহত হন। এক বিবৃতিতে আইআরজিসি বলছে, আমেরিকান-জায়নিস্টদের কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী হামলায় নায়িনি শহীদ হয়েছেন।

গত রাতেই জাতীয় টেলিভিশনে নায়িনি একটি বক্তব্য দেন, যেখানে তিনি বলেন, ‘যুদ্ধ চললেও আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।’ এই বক্তব্য দেওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর তার মৃত্যুর খবর আসে।

[/live_update]

[live_update time=”দুপুর ১২.৩১” title=”ইরান আরও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে: ইসরায়েল”]

ইরান থেকে আরও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েল। আল জাজিরার খবরে বলা হয়, দেশটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেগুলো প্রতিহত করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায়, কিছুক্ষণ আগে তারা ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শনাক্ত করেছে এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে।

সেনাবাহিনী আরও জানিয়েছে, নাগরিকদের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে।

দেশের জনসাধারণকে সতর্কবার্তা পাওয়া মাত্র নিরাপদ স্থানে যেতে এবং নতুন ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত সেখানে থাকার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। স্পষ্ট নির্দেশনা ছাড়া নিরাপদ স্থান থেকে বের হওয়া যাবে না বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

[/live_update]

[live_update time=”সকাল ১০.৪৩” title=”যুক্তরাষ্ট্র আরও যুদ্ধজাহাজ ও সেনা পাঠাচ্ছে”]

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক নিউজ সাইট নিউজম্যাক্স জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের বিরুদ্ধে চলমান লড়াইয়ে তাদের সেনা শক্তি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। এ অনুযায়ী, কয়েকটি যুদ্ধজাহাজের সঙ্গে ৪ হাজার মার্কিন মেরিন ও নৌসেনা পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। সংবাদে চারটি অজ্ঞাত সূত্রকে উদ্ধৃত করা হয়েছে।

নিউজম্যাক্স-এর তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূল থেকে তাদের মোতায়েন করা হচ্ছে, এতে এফ-৩৫ জেট, ক্ষেপণাস্ত্র এবং স্থল আক্রমণের জন্য ব্যবহারযোগ্য অ্যামফিবিয়ান যানবাহন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে ২ হাজার ৫০০ সৈন্য পাঠিয়েছে বলে খবর প্রকাশ করে বিভিন্ন গণমাধ্যম। খবরে বলা হয়, জাপানের ওকিনাওয়ায় মোতায়েন থাকা ৩১তম মেরিন এক্সপিডিশনাল ইউনিটের সদস্য এবং উভচরযান ‘ইউএসএস ত্রিপোলি’-কে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়েছে।

[/live_update]

[live_update time=”সকাল ১০.০৭” title=”ইরানে মৃত্যুর সংখ্যা ৩১০০ ছাড়িয়েছে”]

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি যুদ্ধে ইরানে মৃত্যুর হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ১৮৬-এ পৌঁছেছে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, মৃতদের মধ্যে ১ হাজার ৩৯৪ জন বেসমারিক নাগরিক, যার মধ্যে অন্তত ২১০ শিশু রয়েছে।

এ ছাড়া মৃত ১ হাজার ১৫৩ জনকে সামরিক কর্মী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং ৬৩৯ জনের বিষয়ে এখনো পুরো তথ্য পাওয়া যায়নি।

[/live_update]

[live_update time=”সকাল ৯.৪৪” title=”ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র পুরো বিশ্বকে রক্ষা করছে: নেতানিয়াহু”]

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানের মাধ্যমে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ‘পুরো বিশ্বকে রক্ষা’ করছে। বৃহস্পতিবার তিনি এ কথা বলেন।

সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহুর দাবি করেছেন ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সামরিক সক্ষমতা ব্যাপকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে। তার মতে, তেহরান এখন আর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা ধরে রাখতে পারছে না। তবে এসব দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি তিনি।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা জিতছি এবং ইরান ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।’ তিনি জানান, এই সামরিক অভিযানের মূল লক্ষ্য হলো ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির হুমকি নির্মূল করা, যাতে এগুলো মাটির গভীরে সরিয়ে নেওয়ার আগেই ধ্বংস করা যায় এবং পরবর্তীতে আকাশপথে প্রতিহত করা কঠিন না হয়ে ওঠে।

এ ছাড়া ইরানের জনগণ যাতে নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই নির্ধারণ করতে পারে, সেই পরিবেশ তৈরি করাও এই অভিযানের একটি উদ্দেশ্য বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের বিষয়টিও তুলে ধরেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, তাদের দুজনের চিন্তাভাবনা অভিন্ন এবং এ যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে ইসরায়েল টেনে এনেছে—এমন অভিযোগকে ‘ভুয়া’ বলে উড়িয়ে দেন।

নেতানিয়াহু বলেন, ‘কেউ কি সত্যিই মনে করেন যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে কেউ বলে দিতে পারেন, তার কী করা উচিত? এটা কল্পনাতীত।’

[/live_update]

[live_update time=”সকাল ৯.১৭” title=” ‍যুদ্ধ: সার রপ্তানি সীমিত করছে চীন”]

ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক বাজারে সার সংকট তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে নিজেদের অভ্যন্তরীণ বাজার সুরক্ষায় চীন সার রপ্তানি সীমিত করছে বলে জানিয়েছে শিল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, মার্চের মাঝামাঝি সময়ে বেইজিং নাইট্রোজেন-পটাশিয়াম সার মিশ্রণ এবং কিছু ফসফেটজাত সার রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে।

এ ছাড়া ইউরিয়ার ওপর আগে থেকেই থাকা নিষেধাজ্ঞা ও রপ্তানি কোটা মিলিয়ে এখন খুব অল্প কিছু সার-বিশেষ করে অ্যামোনিয়াম সালফেট রপ্তানির অনুমতি রয়েছে। এর ফলে গত বছর চীন যত সার রপ্তানি করেছিল, তার প্রায় অর্ধেক থেকে তিন-চতুর্থাংশ (প্রায় ৪০ মিলিয়ন মেট্রিক টন পর্যন্ত) এখন সীমাবদ্ধ হয়ে পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চীন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সার রপ্তানিকারক দেশ—গত বছর তারা ১৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের সার রপ্তানি করেছে।

এদিকে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে সার পরিবহনও বর্তমানে স্থবির হয়ে আছে। এই জলপথ দিয়ে সমুদ্রপথে পরিবাহিত সার সরবরাহের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ হয়ে থাকে।

বিএমআইয়ের জ্যেষ্ঠ পণ্য বিশ্লেষক ম্যাথিউ বিগিন রয়টার্সকে বলেন, এই প্রবণতা নতুন নয়—বিশ্ববাজারে সংকটের সময় চীন সরবরাহ বাড়ানোর বদলে বরং সীমিত করে।

[/live_update]

[live_update time=”সকাল ৯.০৭” title=”ইরানের হামলায় বাহরাইনে একটি গুদামে অগ্নিকাণ্ড”]

ইরানের হামলার পর বাহরাইনে একটি গুদামে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। খবর আল জাজিরার।

বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানি আগ্রাসনের ফলে ছিটকে পড়া ধ্বংসাবশেষ থেকে একটি কোম্পানির গুদামে আগুন লাগে।

মন্ত্রণালয় আরও জানায়, সিভিল ডিফেন্স কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছেন এবং এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
তবে এই হামলায় ইরানের ড্রোন নাকি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল, সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।

[/live_update]

[live_update time=”সকাল ৮.৫৬” title=”অব্যাহতভাবে তেহরানে হামলা চলছে: ইসরায়েল”]

ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা ইরানের রাজধানী তেহরানকে লক্ষ্য করে বড় মাত্রায় হামলা চালিয়েছে। এই হামলার কথা ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এক বিবৃতি জানিয়েছে বলে খবর প্রকাশ করেছে আল জাজিরা।

বিবৃতিতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায়, তারা তেহরানে সন্ত্রাসী অবকাঠামো লক্ষ্য করে এই হামলা চালাচ্ছে। তবে এ দাবির পক্ষে কোনো বিস্তারিত তথ্য বা প্রমাণ তারা দেয়নি।

এর আগে, ইসরায়েলের বিমান বাহিনী জানিয়েছিল, গত ২৪ ঘণ্টায় তারা ইরানের পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলে ১৩০টির বেশি অবকাঠামোগত লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

বিমান বাহিনী আরও বলেছে, তাদের হামলা অব্যাহতভাবে চলছে।

[/live_update]

[live_update time=”সকাল ৮.৪০” title=”একের পর এক ড্রোন হামলা প্রতিহতের দাবি সৌদি আরবের”]

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে ধারাবাহিকভাবে আসা ড্রোন প্রতিহত করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। সর্বশেষ এক ঘণ্টায় তিনটি ড্রোন ভূপাতিত ও ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে তারা।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, গত কয়েক ঘণ্টায় বিভিন্ন সময়ে মোট ১০টি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে। এসব ড্রোনই দেশের পূর্বাঞ্চল লক্ষ্য করে আসছিল এবং সেগুলো সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে।

তবে এসব ড্রোন কোথা থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে বা হামলার পেছনে কারা রয়েছে—এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। এ ছাড়া এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

[/live_update]

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
টাইমস রিপোর্ট
টাইমস রিপোর্ট

Staff Reporter, Times of Bangladesh

সম্পর্কিত খবর