আগে ৭১ নিয়ে মাফ চান, পরে ভোট চান: মির্জা ফখরুল

আগে ৭১ নিয়ে মাফ চান, পরে ভোট চান: মির্জা ফখরুল
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সালন্দর ইউনিয়নের কালীতলা এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগে মির্জা ফখরুল
Advertisement
Advertisement

একটি দলের প্রতি ইঙ্গিত করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘১৯৭১ সালে পাক বাহিনী অনেক অত্যাচার করেছে। বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে। পাক সেনাদের কারা সহযোগিতা করেছিল, এটাও আমরা জানি। আগে ৭১ সালের জন্য মাফ চান, তারপর ভোট চান।’

বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজ নির্বাচনী এলাকা ঠাকুরগাঁও-১ আসনের চন্ডিপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী গণসংযোগে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আগামী ভোটে সঠিক সিদ্ধান্ত না নিলে আমরা ভুল করব। বিএনপি আগামীতে সরকার গঠন করবে। তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন। তাকে দেশে আসতে দেওয়া হয়নি ১৮ বছর। যেদিন প্রথম আসলেন, সেদিন লোকে লোকারণ্য হয়ে গেল। প্রথম দিন স্টেজে ওঠে বললেন, আমার একটা পরিকল্পনা আছ। পরিকল্পনা হলো, উন্নয়নের পরিকল্পনা। আমাদের মায়েদের উন্নতি করতে চাই। সেটা হলো ফ্যামিলি কার্ড। এই কার্ডের মাধ্যমে ন্যাযমূল্যে শিক্ষা, স্বাস্থ্য সুবিধা পাবেন। কৃষি কার্ডের মাধ্যমে সার-বিষ পাওয়া যাবে। তিনি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবেন।’

এর আগে এদিন সকালে সালন্দর ইউনিয়নের কালীতলা এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন থেকে সততা পালিয়ে গেছে। আমরা চেষ্টা করি সততা ধরে রাখতে। আপনার ভোট বড় আমানত। সেটা আমাকে দেবেন। কারণ আমি আপনাদের চেনা লোক।’

আরও পড়ুন

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা ভিক্ষা আর দয়ায় বাঁচতে চাই না। কাজ করে বাঁচতে চাই। সেজন্য প্রশিক্ষণ নিতে হবে। আমাদের ছেলেগুলো শুধু পড়াশোনা করে এমএ-বিএ পাশ করতে চায়। পাশ করে চাকরি মেলে না। প্রশিক্ষণ নিয়ে বিদেশে গিয়ে ভালো আয় করা সম্ভব। ছাত্রদের এ বিষয়ে মনযোগী হতে হবে। সঠিক পথে যেতে হবে। এতে আমাদের উন্নতি হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘১৫ বছর আমরা কথা বলতে পারিনি। আমাদের শুধু পিটিয়েছে আর মামলা দিয়েছে। এখন আমরা কাজ করতে চাই। আপনারা সংগঠন গড়ে তুলবেন। সংগঠনের মাধ্যমে আমরা কাজ করতে চাই৷ সবজি রাখার জন্য কোল্ডস্টোরেজ করা হবে। নারীদের কুটির শিল্পে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ঠাকুরগাঁও আমার জন্মস্থান। আমার বাবা, আমি ও আমার ছোট ভাই পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলাম। আওয়ামী লীগের আমলে ছোট ভাই চেয়ারম্যান থাকা সত্বেও তাকে কোনো বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। আমরা কাজ করতে পারিনি। সরকার চলে যাওয়ায় পর আমরা শহরের রাস্তার কাজগুলো নিয়ে এসেছি। আমরা রাজনীতি করে ব্যবসা করি না। বাপের জমিজমা বিক্রি করে রাজনীতি করি। বাপের জমিজমা যা ছিল অর্ধেক শেষ। এটাই আমার শেষ নির্বাচন, আপনারা আমাকে সুযোগ করে দেবেন।’

এ সময় দলটির বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর