খুলনায় জাতীয় নির্বাচনের দিন জামায়াত কর্মীর হামলায় নিহত বিএনপি নেতা মহিবুজ্জামান কচির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য উত্তোলন করা হয়েছে।
আদালতে নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মৃত্যুর প্রায় পাঁচ মাস পর ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে নগরীর টুটপাড়া কবরস্থান থেকে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ উত্তোলন করা হয়েছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের দিন সকালে খুলনার আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে জামায়াতের প্রার্থীর সমর্থকদের ধাক্কায় মৃত্যু হয় বিএনপি নেতা মহিবুজ্জামান কচির।
বিএনপি নেতাদের দাবি, আলিয়া মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে অবস্থান করছিলেন মহিবুজ্জামান কচি। এসময় খুলনা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও জামায়াতের নেতা আব্দুর রহিম এর সঙ্গে মহিবুল্লাহ কচির ভোট নিয়ে কথা কাটা করে এক পর্যায়ে, কচিকে ধাক্কা দিয়ে গাছের ওপর ফেলে দেয়। বিএনপি সমর্থকরা তাকে উদ্ধার করে, হাসপাতাল নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করে। এই ঘটনার পরের দিন চুটপাড়া কবরস্থানে বিএনপি নেতা দাফন সম্পন্ন হয়।
পরবর্তীতে থানায় মামলা না নেওয়া হলে আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন বিএনপি নেতা ইউসুফ হারুন মজনু। তিনি এই মামলায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতামা আরো ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করেন। আদালত হত্যার অভিযোগ আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন। সেই সঙ্গে কবর থেকে লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার আদেশ দেন।


