ঢাকার ধানমন্ডি ২৭ নম্বরের মীনা বাজারের সামনে প্রতিবাদী শিল্পী জনতার মানববন্ধন কর্মসূচি পুলিশের বাধায় পণ্ড হয়ে গেছে।
দেশজুড়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বাউলগানের আসরে বাধা, শিল্পীদের ওপর হামলা এবং সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা হরণের প্রতিবাদে সোমবার এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়েছিল।
শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানানোর গণতান্ত্রিক অধিকার থাকা সত্ত্বেও পুলিশের বাধায় কর্মসূচি পালন করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।
এ ঘটনায় গভীর ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করে তারা জানিয়েছেন, সাংস্কৃতিক চর্চার ওপর হামলা এবং তার প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা–কোনোটিই একটি গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য কাম্য নয়।
বক্তারা বলেন, গান, সংস্কৃতি ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর দয়া বা অনুগ্রহের বিষয় নয়, এটি মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। বাউল, লোকসংগীত ও বাংলার চিরায়ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ওপর যেকোনো ধরনের আক্রমণ অসাম্প্রদায়িক চেতনা, মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ এবং স্বাধীন সাংস্কৃতিক বিকাশের পরিপন্থী।
প্রতিবাদী শিল্পী জনতার পক্ষ থেকে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
একই সঙ্গে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে আয়োজন, শিল্পীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালনের অধিকার রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর ভূমিকা দাবি করা হয়।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হয়, পুলিশি বাধা কিংবা উগ্রবাদী অসহিষ্ণুতা দিয়ে সংস্কৃতির কণ্ঠরোধ করা যাবে না। বাঙালির গান, ঐতিহ্য ও মুক্তচিন্তার পক্ষে প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে এবং স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও বাঙালি সংস্কৃতি রক্ষার সংগ্রামে তারা আপসহীন।


