ইতালি পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে লিবিয়ায় জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে মাদারীপুরের এক দম্পতিকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় জনতা।
শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় জনতা রাজৈর উপজেলার দিঘীরপাড় এলাকা থেকে ওই দম্পতিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
আটককৃতরা হলেন— মাদারীপুর জেলার রাজৈর থানার কদমবাড়ী ইউনিয়নের দিঘীরপাড় গ্রামের নিখিল ফইনা (৫০) এবং তার স্ত্রী আরতী ফইনা (৪০)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাজৈর উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের সুশান্ত সরকারের ছেলে সুমন সরকার (৩৩) এবং কদমবাড়ী মধ্যপাড়া গ্রামের সুভাষ চন্দ্র মণ্ডলের ছেলে সমীরণ মণ্ডলকে (৪২) ইতালি পাঠানোর কথা বলে লিবিয়া নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাদের আটকে রেখে নির্মম নির্যাতন চালানো হয় এবং পরিবারের কাছ থেকে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করা হয়।
পরবর্তীতে ভুক্তভোগীরা বিভিন্ন সহযোগিতায় বাংলাদেশে ফেরত আসেন। অভিযুক্ত নিখিল ও আরতী ফইনাকে নিজ এলাকায় দেখতে পেয়ে স্থানীয় জনতা ও আত্মীয়-স্বজনরা দেখে রাজৈর থানা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
আটককৃতরা রাজৈর থানার মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে দায়ের করা মামলা এজাহারভুক্ত আসামি জুলহাস সরদারের সহযোগী।
এই মামলার প্রধান আসামি জুলহাস সরদার বর্তমানে মাদারীপুর জেলা কারাগারে আটক রয়েছেন। নতুন করে আটক হওয়া এই দম্পতির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


