রাত পোহালেই বিসিবি নির্বাচন। সোমবার সকাল দশটায় রাজধানীর পাঁচ তারকা হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওতে সকাল ১০টায় শুরু হয়ে ভোট গ্রহণ চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। তবে একের পর এক কান্ডে বারবার সমালোচিত হয়েছে বিসিবির আসন্ন নির্বাচন। অনিয়ম আর কারচুপির অভিযোগ এনে সরে দাঁড়িয়েছেন মোট ২০ জন। পরিচালকের পদ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন তামিম ইকবাল, লুৎফর রহমান বাদলের মতো হেভিওয়েট প্রার্থীরাও।
এর মাঝে রবিবার সকালে স্থানীয় এক দৈনিকের প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিসিবি নির্বাচনের ব্যালট শুক্রবার রাতেই ভরিয়ে ফেলা হয়েছে ভোট দিয়ে। ১ অক্টোবর মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন থাকলেও সেই অভিযোগের জেরে রবিবার বিকেলে আবদুল্লাহ আল ফুয়াদ রেদুয়ান সরে দাঁড়িয়েছেন বিসিবি নির্বাচন থেকে। নির্ধারিত দিনে প্রত্যাহার না করায় সোমবারের বিসিবি নির্বাচনের ব্যালট পেপারে রেদুয়ান-সহ বাকিদের নাম থাকবে, থাকবে না তাদের অংশগ্রহণ।
মিরপুর শেরের বাংলা স্টেডিয়ামে, বিসিবি কার্যালয়ের সামনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়ে রেদুয়ান বলেন, ‘রাতের ভোট তো, ওরা ব্যালট বাক্স ভরেছে, সেটা আলাদা জিনিস। এরা তো সুকৌশলে এমন কাজ করছে, সেটা আগের সবকিছুকে হার মানিয়ে ফেলেছে। এবং এই অবস্থায় ক্রিকেটের স্বার্থে, আমার সর্বশেষ কথা, এই অবস্থার পরিবর্তন চাই। এইসব থাকুক, আমরা চাই না। সকলকে নিয়ে এই নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় একটি স্বচ্ছ ও সুন্দর নির্বাচন হোক। সেখানে যেই নির্বাচিত হবে, তাকেই স্যালুট দিব। ধন্যবাদ।”
স্থানীয় সেই দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে নির্বাচনের ই-ব্যালটে ভোট দেয়া নিয়েও অভিযোগ তুলেছেন রেদুয়ান। জানিয়েছেন, এসব ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনারের সাথে দেখা করতে চেয়েও পারেননি জামালপুর ক্রীড়া সংস্থা থেকে নির্বাচন করতে চাওয়া এই সংগঠক।
‘আমি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বহুবার দেখা করতে চেয়েছি, আমার সঙ্গে দেখা করেনি। আমি দরখাস্তও দিতে চেয়েছিলাম যে, ই-ব্যালট ও পোস্টাল ব্যালট শুধু তাঁদেরকেই দেবেন, যাঁরা দেশের বাইরে অথবা হাসপাতালে রোগী হিসেবে আছেন। যাঁরা সুস্থ, যাঁরা ঘুরেফিরে খাচ্ছেন, যাঁরা কাউন্সিলর হয়েছেন, যাঁরা হোটেলে বসে আমোদ-ফুর্তি করছেন, তাঁরা কেন ই-ব্যালটে ভোট দেবেন?, বলেন রেদুয়ান।


